শিক্ষা কর্মকর্তাকে থাপ্পড় দেওয়া সেই মেয়র আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

জামালপুর- শিক্ষা কর্মকর্তাকে চড়া মারার অভিযোগে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।সোমবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে এ সংক্রান্ত একটি পত্র গণমাধ্যমের হাতে আসে। মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী বহিষ্কারাদেশে জানান, মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ শিক্ষা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছনা করায় আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে,

যা দলের জন্য বিব্রতকর। সাংগঠনিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায় এবং দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারপূর্বক অব্যাহতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় ঘোষণা মঞ্চ থেকে পৌর মেয়র শাহনেওয়াজের নাম দেরিতে ঘোষণা করায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

এ ঘটনায় পৌর মেয়রকে আসামি করে মামলা করেন ওই শিক্ষা কর্মকর্তা।দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাব্বত কবীর মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শিক্ষা কর্মকর্তা মেহের উল্লাহ বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন তাকে উপস্থাপনের দায়িত্ব দেয়। একইসঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রশাসনের একটি তালিকাও দেয়। ওই তালিকায় পৌরসভার নামটি ছিল ৫ নম্বরে।

তালিকা অনুযায়ী তিনি নামগুলো ঘোষণা করছিলেন। ৫ নম্বরে পৌরসভার নাম ঘোষণার কারণে মেয়র প্রথমে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে সবার উপস্থিতিতে মেয়র থাপ্পড় মারেন। তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

যা দলের জন্য বিব্রতকর। সাংগঠনিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায় এবং দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারপূর্বক অব্যাহতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় ঘোষণা মঞ্চ থেকে পৌর মেয়র শাহনেওয়াজের নাম দেরিতে ঘোষণা করায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

এ ঘটনায় পৌর মেয়রকে আসামি করে মামলা করেন ওই শিক্ষা কর্মকর্তা।দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাব্বত কবীর মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শিক্ষা কর্মকর্তা মেহের উল্লাহ বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন তাকে উপস্থাপনের দায়িত্ব দেয়। একইসঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রশাসনের একটি তালিকাও দেয়। ওই তালিকায় পৌরসভার নামটি ছিল ৫ নম্বরে।

তালিকা অনুযায়ী তিনি নামগুলো ঘোষণা করছিলেন। ৫ নম্বরে পৌরসভার নাম ঘোষণার কারণে মেয়র প্রথমে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে সবার উপস্থিতিতে মেয়র থাপ্পড় মারেন। তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

About admin

Check Also

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার বিষয়ে সরকার কোনো তথ্য চায়নি: সুইস রাষ্ট্রদূত

এবার বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেছেন, সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ জমা নিয়ে সুইজারল্যান্ড …

Leave a Reply

Your email address will not be published.