জয়নাল হাজারীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন হাজারী বড় জানাযার মধ্যে দিয়ে মুজিব উদ্যানে চিরো নিদ্রায় শায়িত হলেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে লাখো ভক্ত অনুরাগী, দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে ফেনী পাইলট হাইস্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তার ইচ্ছানুযায়ী ফেনী জহিরিয়া মসজিদের খতিব মুফতি ইলিয়াস হোসেন তার জানাজা পড়ান। জানাজা শেষে তার মরদেহ শহরের মুজিব উদ্যানে দাফন করা হয়।জানাজার আগে ফেনী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল হাজারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।

জানাজায় অংশ নেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, ফেনী-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, বিএনপির উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন ভিপি,

জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদুল হাসান, পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন, ফেনী পৌর মেয়র স্বপন মিয়াজী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুশেন চন্দ্রশীলসহ ফেনী ৬ উপজেলার চেয়ারম্যানসহ সর্বস্তরের জনতা।জয়নাল হাজারী ছিলেন চিরকুমার। ফেনীর মাস্টারপাড়ায় তার একটি বাড়ি রয়েছে।

১৯৮৪-২০০৪ পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন জয়নাল হাজারী। ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট রাতে জয়নাল হাজারীর বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। তিনি তখন পালিয়ে আত্মগোপনে ভারতে চলে যান। ২০০৪ সালে হাজারীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে তিনি ভারত থেকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে সব মামলা থেকে একে একে অব্যাহতি পান প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। দেড় দশক পর ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা পদ পান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ৭৬ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ।জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠন শোক জানিয়েছে।

১৯৮৪-২০০৪ পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন জয়নাল হাজারী। ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট রাতে জয়নাল হাজারীর বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। তিনি তখন পালিয়ে আত্মগোপনে ভারতে চলে যান। ২০০৪ সালে হাজারীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে তিনি ভারত থেকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে সব মামলা থেকে একে একে অব্যাহতি পান প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। দেড় দশক পর ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা পদ পান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ৭৬ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ।জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠন শোক জানিয়েছে।

About admin

Check Also

লুঙ্গি ধরে টান দেয়ায় শ্যালিকাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখে নতুন দুলাভাই

এবার কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর রাখানায় খুশি হত্যা ঘটনায় নতুন বর (জেঠাতো বোনের স্বামী) আব্দুল গনিকে গ্রেপ্তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.