৫০ বছর ব’য়সেও করেননি বিয়ে, প্রে’মিকার চিঠি ও ছবি পকে’টে নিয়ে পার করছেন জীবন

প্রতিটি সার্থক প্রে’মের কবিতা বলতে বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্য’র্থ প্রে’মের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে বিয়ে করেছে।
নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জের মুক্তিযো’দ্ধা তানেসউদ্দিন আহমেদ ৭৫ বছর ব’য়সী মানুষটি এখনো ঝকঝকে তরুণ।

কমলারঙের জামা’র বুকপকেট থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে তানেসউদ্দিন। হেসে বললেন, ‘ওর নাম জোহরা।’ ১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।

যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর। ৫০ বছর ধরে প্রে’মিকার ছবি বুকপকে’টে নিয়ে বেঁচে আছেন তানেসউদ্দিন। তবে বিয়ে করেননি তিনি। ছবির মধ্যেই তিনি প্রয়াত জোহরাকে খুঁজে পান।

১৯৬৭ সালে ঢাকার বোম্বে স্টুডিও থেকে জোহরার সাদাকালো ছবিটি তোলা। সেই থেকে ছবিটি তানেসউদ্দিনের পকে’টে।১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর।

প্রতিটি সার্থক প্রে’মের কবিতা বলতে বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্য’র্থ প্রে’মের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে বিয়ে করেছে।
নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জের মুক্তিযো’দ্ধা তানেসউদ্দিন আহমেদ ৭৫ বছর ব’য়সী মানুষটি এখনো ঝকঝকে তরুণ।

কমলারঙের জামা’র বুকপকেট থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে তানেসউদ্দিন। হেসে বললেন, ‘ওর নাম জোহরা।’ ১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।

যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর। ৫০ বছর ধরে প্রে’মিকার ছবি বুকপকে’টে নিয়ে বেঁচে আছেন তানেসউদ্দিন। তবে বিয়ে করেননি তিনি। ছবির মধ্যেই তিনি প্রয়াত জোহরাকে খুঁজে পান।

১৯৬৭ সালে ঢাকার বোম্বে স্টুডিও থেকে জোহরার সাদাকালো ছবিটি তোলা। সেই থেকে ছবিটি তানেসউদ্দিনের পকে’টে।১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর।

প্রতিটি সার্থক প্রে’মের কবিতা বলতে বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্য’র্থ প্রে’মের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রে’মিকাকে বিয়ে করেছে।
নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জের মুক্তিযো’দ্ধা তানেসউদ্দিন আহমেদ ৭৫ বছর ব’য়সী মানুষটি এখনো ঝকঝকে তরুণ।

কমলারঙের জামা’র বুকপকেট থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে তানেসউদ্দিন। হেসে বললেন, ‘ওর নাম জোহরা।’ ১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।

যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর। ৫০ বছর ধরে প্রে’মিকার ছবি বুকপকে’টে নিয়ে বেঁচে আছেন তানেসউদ্দিন। তবে বিয়ে করেননি তিনি। ছবির মধ্যেই তিনি প্রয়াত জোহরাকে খুঁজে পান।

১৯৬৭ সালে ঢাকার বোম্বে স্টুডিও থেকে জোহরার সাদাকালো ছবিটি তোলা। সেই থেকে ছবিটি তানেসউদ্দিনের পকে’টে।১৯৭১ সালে জোহরাকে রেখে মুক্তিযু’’দ্ধে গিয়েছিলেন তিনি।যু’’দ্ধ শেষে স্বাধীন দেশ পেয়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে আর পাওয়া হয়নি তাঁর।

About admin

Check Also

বাইক চালানোর নামে যুবতীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত, মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বাইক বা গাড়ি কিনতে ভা,লোবাসেন। যদিও বাইক চা’লানো অনেকের পছন্দের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.