সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের ফাঁসির রায়

দেশের আ’লো’চি’ত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যা মা’ম’লার রায় আজ। এই রায় ঘিরে আ’দা’লতে অ’পেক্ষা করছেন আ’সা’মি ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর থেকে কক্সবাজার জে’লা ও দায়রা জজ মোহাম্ম’দ ইসমাইলের আ’দা’লতে এ মা’ম’লার রায় পড়া হচ্ছে। ভোক্তভোগীদের একজন কক্সবাজারের টেকনাফ

উপজে’লায় নি’হ’ত রিকশাচালক মো. আজিজের মা হালিমা খাতুন। কথিত ব’ন্দু’কযু’দ্ধে তিনি হারিয়েছেন ছে’লেকে। তাইতো রায় ঘোষণার সংবাদ শুনে বাড়িতে থাকতে পারেননি। টেকনাফ থেকে কক্সবাজার আ’দা’লতে ছুটে এসেছেন।

আ’দা’লত প্রাঙ্গণে এসে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন তিনি। জানা গেছে, ২০১৯ সালে হালিমা’র ছে’লে আজিজ রিকশা চালাতে গিয়ে ওসি প্রদীপের হাতে আ’ট’ক হয়। পরে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ছে’লেকে প্রদীপের হাত থেকে বাঁ’চাতে শেষ সম্পদ ভিটাও বিক্রি করে দেন

হালিমা। তারপরও ছে’লেকে জীবিত উ’দ্ধা’র করতে পারেননি।হালিমা খাতুন কা’ন্নাজ’ড়ি’ত কণ্ঠে বলেন, ‘ভিটে-মাটি বন্ধক দিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমা’র ছে’লেকে বাঁচতে দিল না।

আমি ম’রে যাওয়ার আগে প্রদীপের মৃ’ত্যু দেখে যেতে চাই’।উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর বাহারছড়া চেকপোস্টে পু’লিশের গু’লিতে

নি’হ’ত হন সে’নাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান। এ ঘটনার পাঁচদিন পর ওই বছরের ৫ আগস্ট নি’হ’ত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পু’লিশ ত’দ’ন্তকেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ

লিয়াকত আলীকে প্রধান আ’সা’মি এবং টেকনাফ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) প্রদীপ কুমা’র দাশকে দ্বিতীয় আ’সা’মি করে ৯ পু’লিশ সদস্যের বি’রু’দ্ধে আ’দা’লতে মা’ম’লা করেন। মা’ম’লা’টি ত’দ’ন্তের দায়িত্ব পায় রেব।

৪ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ত’দ’ন্তের পর ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অ’ভিযু’ক্ত করে আ’দা’লতে চার্জশিট জমা দেন মা’ম’লার ত’দ’ন্তকারী কর্মক’র্তা। অ’ভিযোগপত্রে সিনহা হ’ত্যাকা’ণ্ডকে ‘পরিক’ল্পি’ত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ২৭ জুন ১৫ আ’সা’মির বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ২৩ আগস্ট কক্সবাজার জে’লা ও দায়রা জজ মোহাম্ম’দ ইসমাইলের আ’দা’লতে সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং জেরা শুরু হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হয় গত ১ ডিসেম্বর। এ মা’ম’লায় মোট ৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আমি ম’রে যাওয়ার আগে প্রদীপের মৃ’ত্যু দেখে যেতে চাই’।উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর বাহারছড়া চেকপোস্টে পু’লিশের গু’লিতে

নি’হ’ত হন সে’নাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান। এ ঘটনার পাঁচদিন পর ওই বছরের ৫ আগস্ট নি’হ’ত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পু’লিশ ত’দ’ন্তকেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ

লিয়াকত আলীকে প্রধান আ’সা’মি এবং টেকনাফ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) প্রদীপ কুমা’র দাশকে দ্বিতীয় আ’সা’মি করে ৯ পু’লিশ সদস্যের বি’রু’দ্ধে আ’দা’লতে মা’ম’লা করেন। মা’ম’লা’টি ত’দ’ন্তের দায়িত্ব পায় রেব।

৪ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ত’দ’ন্তের পর ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অ’ভিযু’ক্ত করে আ’দা’লতে চার্জশিট জমা দেন মা’ম’লার ত’দ’ন্তকারী কর্মক’র্তা। অ’ভিযোগপত্রে সিনহা হ’ত্যাকা’ণ্ডকে ‘পরিক’ল্পি’ত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ২৭ জুন ১৫ আ’সা’মির বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ২৩ আগস্ট কক্সবাজার জে’লা ও দায়রা জজ মোহাম্ম’দ ইসমাইলের আ’দা’লতে সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং জেরা শুরু হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হয় গত ১ ডিসেম্বর। এ মা’ম’লায় মোট ৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

About admin

Check Also

টাকার মান আরেক দফা কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক

বারো দিনের মাথায় টাকার মান আরেক দফা কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৭ এপ্রিল মার্কিন ডলারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.