চাকরি পাচ্ছেন ‘দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাওয়া’ সেই আলমগীর

‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই’ এমন শিরোনামে মাস্টার্স পাস করা আলমগীর কবিরের একটি বিজ্ঞাপনের ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এটি ছড়িয়ে পড়তেই অনেকেই সে যুবকের সন্ধান চান।

বগুড়া শহরের জহুরুল নগর এলাকায় বসবাস করা যুবকের ভাইরাল এ বিজ্ঞাপন দেখে বুধবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার। পরে পুলিশ সুপার তাকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী জানিয়েছেন, তাকে বগুড়ার স্বপ্ন আউটলেটে চাকরি দেয়া হবে। তবে কোন পদে আলমগীরের চাকরি হচ্ছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আলমগীর বগুড়া জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তার সঙ্গে আলাপ করেন এসপি।

তিনি বলেন, ‘ওই পোস্টারের সত্যতা যাচাই করার জন্য তার সাক্ষাৎকার নিই। কথা বলে মনে হয়েছে, তার চাকরি আসলেই প্রয়োজন। আবার এটাও ঠিক, ওই ধরনের বিজ্ঞাপন দেয়া হীন মানসিকতার পরিচয়। সে কথা তাকে বলেছি।’

চাকরি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আলমগীর বলেন, ‘এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। আগে দেখি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী আমি কেমন পদ পাই।’আর্থিক অনটনের কারণে আলমগীর কবিরের তিন বেলা ঠিকমতো খাওয়া হচ্ছিল না। এই কারণে উপায় না দেখে সম্প্রতি তিনি আশ্রয় নেন বিজ্ঞাপনের। দেয়ালে সাঁটানো বিজ্ঞাপনে তিনি জানান, ‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই।’

দেয়ালে দেয়ালে লাগানো সেই বিজ্ঞাপনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এক ব্যক্তি। এর পর থেকে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় পোস্টটি। এতে আলমগীর নিজেই বিব্রত অবস্থায় পড়েন। তিনি জানান, ফেসবুকে ওই পোস্ট তিনি করেননি। অন্য কেউ করেছেন।

‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই’ এমন শিরোনামে মাস্টার্স পাস করা আলমগীর কবিরের একটি বিজ্ঞাপনের ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এটি ছড়িয়ে পড়তেই অনেকেই সে যুবকের সন্ধান চান।

বগুড়া শহরের জহুরুল নগর এলাকায় বসবাস করা যুবকের ভাইরাল এ বিজ্ঞাপন দেখে বুধবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার। পরে পুলিশ সুপার তাকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী জানিয়েছেন, তাকে বগুড়ার স্বপ্ন আউটলেটে চাকরি দেয়া হবে। তবে কোন পদে আলমগীরের চাকরি হচ্ছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আলমগীর বগুড়া জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তার সঙ্গে আলাপ করেন এসপি।

তিনি বলেন, ‘ওই পোস্টারের সত্যতা যাচাই করার জন্য তার সাক্ষাৎকার নিই। কথা বলে মনে হয়েছে, তার চাকরি আসলেই প্রয়োজন। আবার এটাও ঠিক, ওই ধরনের বিজ্ঞাপন দেয়া হীন মানসিকতার পরিচয়। সে কথা তাকে বলেছি।’

চাকরি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আলমগীর বলেন, ‘এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। আগে দেখি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী আমি কেমন পদ পাই।’আর্থিক অনটনের কারণে আলমগীর কবিরের তিন বেলা ঠিকমতো খাওয়া হচ্ছিল না। এই কারণে উপায় না দেখে সম্প্রতি তিনি আশ্রয় নেন বিজ্ঞাপনের। দেয়ালে সাঁটানো বিজ্ঞাপনে তিনি জানান, ‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই।’

দেয়ালে দেয়ালে লাগানো সেই বিজ্ঞাপনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন এক ব্যক্তি। এর পর থেকে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় পোস্টটি। এতে আলমগীর নিজেই বিব্রত অবস্থায় পড়েন। তিনি জানান, ফেসবুকে ওই পোস্ট তিনি করেননি। অন্য কেউ করেছেন।

About admin

Check Also

৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে টিউশনি করা মেয়েটাই আজ ম্যাজিস্ট্রেট

ক্লাস এইট পর্যন্ত কোনো শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়েননি শিল্পী মোদক। মা-ই ছিলেন তার শিক্ষক।হবিগঞ্জের রামকৃষ্ণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.