আ.লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার যে ১০ নেতা

ভোলায় দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সদর উপজেলার ১০ আওয়ামী লীগ নেতাকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার স্বাক্ষরিত বহিষ্কার আদেশ গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য সরবরাহ করা হয়।

আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলাম গোলদার জানান, বিভিন্ন ইউনিয়নের যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

চিঠি পাওয়ার পরও যারা ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি তাদেরকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ জনকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন-পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন ও একই কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. নুরনবী মাস্টার, রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী,

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মিয়া মো. সিরাজ উদ্দিন (মিয়া সিরাজ), একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন ছোটন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। এ ছাড়া শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাকিব,

ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজি মো. সেলিম, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক-১ মোসলেউদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য তাজল ইসলাম হাওলাদার।

বহিষ্কৃত সবাই আওয়ামী লীগের ৫ জানুয়ারির পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম জানান, প্রথমে উল্লেখিত ১০ জনসহ ২৫ জনকে চিঠি দিয়ে সর্তক করা হয়েছিল। ৮ জন দলের সিদ্ধান্ত মেনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। দুই জন যুবলীগের পদে থাকায় তাদের বিষয়ে শিগগিরই যুবলীগ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বহিষ্কৃতরা হলেন-পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন ও একই কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. নুরনবী মাস্টার, রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী,

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মিয়া মো. সিরাজ উদ্দিন (মিয়া সিরাজ), একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন ছোটন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। এ ছাড়া শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাকিব,

ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজি মো. সেলিম, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক-১ মোসলেউদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য তাজল ইসলাম হাওলাদার।

বহিষ্কৃত সবাই আওয়ামী লীগের ৫ জানুয়ারির পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম জানান, প্রথমে উল্লেখিত ১০ জনসহ ২৫ জনকে চিঠি দিয়ে সর্তক করা হয়েছিল। ৮ জন দলের সিদ্ধান্ত মেনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। দুই জন যুবলীগের পদে থাকায় তাদের বিষয়ে শিগগিরই যুবলীগ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

About admin

Check Also

আওয়ামী লীগ মাঠে নামলে বিএনপি কর্পূরের মতো উড়ে যাবে: কাদের

আওয়ামী লীগ রাজপথ ছাড়েনি, দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.