সাবেক ভিসি ফারজানার ২ কোটি টাকা ঈদ সালামিসহ ১৬ খাতের তথ্য তলব

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঈদ সালামি দেওয়াসহ টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সব ফাইল তলব করা হয়েছে।

তার দ্বিতীয় মেয়াদের ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ সেশনের সব ধরনের আর্থিক বিষয়ের তথ্য তলব করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট অফিস বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, অডিটের স্বার্থে এসব নথি ও ফাইল তলব করা হয়েছে।

শনিবার (২২ মার্চ) শিক্ষা অডিট বিভাগের নিরীক্ষা দলের প্রধান মো. বাবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব তথ্য তলব করা হয়েছে। চিঠিটি এসেছে বর্তমান রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্যের বরাবর।

চিঠিতে বলা হয়- ২০১৭-১৮ হতে ২০২০-২১ অর্থবছরের নিরীক্ষার জন্য এসব ফাউল ও নথি জরুরিভিত্তিতে নিরীক্ষার জন্য উপস্থাপনের অনুরোধ করা হয়। চাহিদার নথি ও তথ্যের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ব্যাংক জমা, স্থায়ী/অস্থায়ী আমানতের তালিকা ও ব্যাংক বিবরণী;

সব ব্যাংকের জমা-খরচের প্রতিবেদন; চেক রেজিস্টার ও চেক বই; পদোন্নতি ও অবসর অনুমোদন প্রতিবেদন; পেনশন ভাউচার; সেশন বেনিফিট সংক্রান্ত নথি; সাবেক উপাচার্যের (ফারজানা ইসলাম) একান্ত সচিবসহ ৫ জনের অ্যাডহক নিয়োগ নথি ও তাদের ব্যক্তিগত নথি;

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত তহবিল হতে ২ কোটি টাকা অন্যদের ঈদ সালামি প্রদানের বিষয়ে যাচাই/তদন্ত প্রতিবেদন; উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন সংক্রান্ত সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী; উন্নয়ন প্রকল্পের ৬টি কাজের উন্মুক্ত দরপত্র নথি ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন;

২০১৯-২০ হতে ২০২০-২১ অর্থবছরের ভর্তি পরীক্ষার নথি ও পরীক্ষার পারিশ্রমিক বণ্টনের পরীক্ষা প্রতিবেদন; ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, প্রক্টর প্রধান প্রকৌশলী, কম্পট্রোলার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, জনসংযোগ অফিসার ও ডিন নিয়োগের ও ব্যক্তিগত নথিসহ ২০২৭-১৮ অর্থবছর থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ও বার্ষিক হিসাব।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঈদ সালামি দেওয়াসহ টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সব ফাইল তলব করা হয়েছে।

তার দ্বিতীয় মেয়াদের ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ সেশনের সব ধরনের আর্থিক বিষয়ের তথ্য তলব করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট অফিস বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, অডিটের স্বার্থে এসব নথি ও ফাইল তলব করা হয়েছে।

শনিবার (২২ মার্চ) শিক্ষা অডিট বিভাগের নিরীক্ষা দলের প্রধান মো. বাবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব তথ্য তলব করা হয়েছে। চিঠিটি এসেছে বর্তমান রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্যের বরাবর।

চিঠিতে বলা হয়- ২০১৭-১৮ হতে ২০২০-২১ অর্থবছরের নিরীক্ষার জন্য এসব ফাউল ও নথি জরুরিভিত্তিতে নিরীক্ষার জন্য উপস্থাপনের অনুরোধ করা হয়। চাহিদার নথি ও তথ্যের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ব্যাংক জমা, স্থায়ী/অস্থায়ী আমানতের তালিকা ও ব্যাংক বিবরণী;

সব ব্যাংকের জমা-খরচের প্রতিবেদন; চেক রেজিস্টার ও চেক বই; পদোন্নতি ও অবসর অনুমোদন প্রতিবেদন; পেনশন ভাউচার; সেশন বেনিফিট সংক্রান্ত নথি; সাবেক উপাচার্যের (ফারজানা ইসলাম) একান্ত সচিবসহ ৫ জনের অ্যাডহক নিয়োগ নথি ও তাদের ব্যক্তিগত নথি;

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত তহবিল হতে ২ কোটি টাকা অন্যদের ঈদ সালামি প্রদানের বিষয়ে যাচাই/তদন্ত প্রতিবেদন; উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন সংক্রান্ত সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী; উন্নয়ন প্রকল্পের ৬টি কাজের উন্মুক্ত দরপত্র নথি ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন;

২০১৯-২০ হতে ২০২০-২১ অর্থবছরের ভর্তি পরীক্ষার নথি ও পরীক্ষার পারিশ্রমিক বণ্টনের পরীক্ষা প্রতিবেদন; ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, প্রক্টর প্রধান প্রকৌশলী, কম্পট্রোলার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, জনসংযোগ অফিসার ও ডিন নিয়োগের ও ব্যক্তিগত নথিসহ ২০২৭-১৮ অর্থবছর থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ও বার্ষিক হিসাব।

About admin

Check Also

নিজ হাতে পবিত্র কাবা পরিষ্কার করলেন সৌদি যুবরাজ

এবার সৌদি আরবের মক্কা নগরীর গ্র্যান্ড মসজিদের পবিত্র কাবা শরীফ নিজ হাতে পরিষ্কার করেছেন সৌদি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.