দলে সাকিব ভাইয়ের থাকাটাই আমার কাছে হাসি পায়: মুমিনুল

দেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান অনেকদিন ধরেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে দূরে দূরে থাকছেন। এই বয়সে এসে তিনি সাদা পোশাকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক তো তার দলে সাকিবকে সেভাবে পাননি। এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সেই সুযোগটা হয়েছিল।

অনেক নাটকের পর সাকিব সাদা পোশাক পরতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক কারণে তিনি প্রথম টেস্টটা খেলতে পারছেন না। তবে দ্বিতীয় টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা আছে। গতকাল শুক্রবার ডারবানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুমিনুল হক।

এ সময় সাকিবের দলে ফেরা নিজে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মুমিনুল বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় উনি না থাকাটা, প্রায় সময়ই তো থাকে না। থাকাটাই আমার কাছে হাসি পায় (হেসে ফেলেন মুমিনুল)। উনি থাকলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়। আমার টিম কম্বিনেশন সহজ হয়ে যায়, এক্সট্রা একজন বোলার এবং এক্সট্রা একজন ব্যাটার নিতে হয় না। এই বিষয়গুলো আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাকিবের টেস্ট খেলার পেছনের লম্বা ইতিহাসের কথা প্রায় সবাই এখন জেনে গেছে। আইপিএলের জন্য তিনি শুরুতে শুধু ওয়ানডে সিরিজ খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইপিএলে সুযোগ না পাওয়ায় ফের টেস্ট সিরিজ খেলতে রাজি হন।

এর কিছুদিন পর হুট করে দুবাইয়ে বিজ্ঞাপনী কাজে যাওয়ার আগে বলে যান, তিনি পুরো সফরেই যাবেন না। এরপর বিসিবি প্রধানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি উভয় ফরম্যাট খেলতে রাজি হন। কিন্তু সফর চলাকালীন সাকিবের পরিবারের ৫ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি এখন দেশে ফিরেছেন। দ্বিতীয় টেস্টের আগেই আফ্রিকায় যাওয়ার কথা সাকিবের।

দেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান অনেকদিন ধরেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে দূরে দূরে থাকছেন। এই বয়সে এসে তিনি সাদা পোশাকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক তো তার দলে সাকিবকে সেভাবে পাননি। এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সেই সুযোগটা হয়েছিল।

অনেক নাটকের পর সাকিব সাদা পোশাক পরতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক কারণে তিনি প্রথম টেস্টটা খেলতে পারছেন না। তবে দ্বিতীয় টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা আছে। গতকাল শুক্রবার ডারবানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুমিনুল হক।

এ সময় সাকিবের দলে ফেরা নিজে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মুমিনুল বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় উনি না থাকাটা, প্রায় সময়ই তো থাকে না। থাকাটাই আমার কাছে হাসি পায় (হেসে ফেলেন মুমিনুল)। উনি থাকলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়। আমার টিম কম্বিনেশন সহজ হয়ে যায়, এক্সট্রা একজন বোলার এবং এক্সট্রা একজন ব্যাটার নিতে হয় না। এই বিষয়গুলো আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাকিবের টেস্ট খেলার পেছনের লম্বা ইতিহাসের কথা প্রায় সবাই এখন জেনে গেছে। আইপিএলের জন্য তিনি শুরুতে শুধু ওয়ানডে সিরিজ খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইপিএলে সুযোগ না পাওয়ায় ফের টেস্ট সিরিজ খেলতে রাজি হন।

এর কিছুদিন পর হুট করে দুবাইয়ে বিজ্ঞাপনী কাজে যাওয়ার আগে বলে যান, তিনি পুরো সফরেই যাবেন না। এরপর বিসিবি প্রধানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি উভয় ফরম্যাট খেলতে রাজি হন। কিন্তু সফর চলাকালীন সাকিবের পরিবারের ৫ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি এখন দেশে ফিরেছেন। দ্বিতীয় টেস্টের আগেই আফ্রিকায় যাওয়ার কথা সাকিবের।

About admin

Check Also

হাসিমুখেই বিদায় নেব, বিকল্প আছে তো: মুশির স্ত্রী

ওয়ানডে ফরম্যাচটে রান পাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে টেস্ট এবং টি-২০ ফরম্যাটে রান খরা যাচ্ছিল তার। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.