১১ হাজার কেভি লাইনে ট্রান্সফরমার বসাচ্ছিলেন ২ শ্রমিক, হঠাৎ চলে আসে বিদ্যুৎ

গতকাল দুপুরে রাজশাহী নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় ১১ হাজার কেভি লাইনে ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ করছিলেন ২ শ্রমিক। এরমধ্য লাইনে সহসাই বিদ্যুৎ চলে আসে। জ্ঞান হারিয়ে তারা ঝুলছিলেন বিদ্যুতের খুঁটিতে। তবে কোমরে বেল্ট থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩১ মার্চ দুপুরে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) বিদ্যুতের খুঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২ শ্রমিক হলেন শামীম রেজা (২৫) ও আকবর আলী (৩৫)। তাদের বাড়ি নগরীর কাপাসিয়া এলাকায়। তারা দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিভিত্তিতে ঠিকাদারের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ২০ মিনিট ঝুলে থাকার পর সহকর্মীরা তাদের নিচে নামিয়ে হাসাতালে নিয়ে যান। শঙ্কামুক্ত হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ছেড়ে দেয়।

জানা গেছে, নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২–এর অধীনে শ্রীরামপুর এলাকায় ট্রান্সফরমার বসানোর জন্য লাইনে কাজ চলছিল। এ কাজের জন্য দুপুর ১২টা থেকে ১ ঘণ্টার জন্য ১১ হাজার কেভি লাইনে শাটডাউন নেওয়া হয়।

কিন্তু কাজ শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় লাইনে বিদ্যুৎ চলে আসে। তারপর দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে দুজন ঝুলছেন। তারপর স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন তাঁদের মই দিয়ে খুঁটি থেকে নিচে নামান।

গতকাল দুপুরে রাজশাহী নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় ১১ হাজার কেভি লাইনে ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ করছিলেন ২ শ্রমিক। এরমধ্য লাইনে সহসাই বিদ্যুৎ চলে আসে। জ্ঞান হারিয়ে তারা ঝুলছিলেন বিদ্যুতের খুঁটিতে। তবে কোমরে বেল্ট থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩১ মার্চ দুপুরে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) বিদ্যুতের খুঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২ শ্রমিক হলেন শামীম রেজা (২৫) ও আকবর আলী (৩৫)। তাদের বাড়ি নগরীর কাপাসিয়া এলাকায়। তারা দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিভিত্তিতে ঠিকাদারের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ২০ মিনিট ঝুলে থাকার পর সহকর্মীরা তাদের নিচে নামিয়ে হাসাতালে নিয়ে যান। শঙ্কামুক্ত হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ছেড়ে দেয়।

জানা গেছে, নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২–এর অধীনে শ্রীরামপুর এলাকায় ট্রান্সফরমার বসানোর জন্য লাইনে কাজ চলছিল। এ কাজের জন্য দুপুর ১২টা থেকে ১ ঘণ্টার জন্য ১১ হাজার কেভি লাইনে শাটডাউন নেওয়া হয়।

কিন্তু কাজ শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় লাইনে বিদ্যুৎ চলে আসে। তারপর দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে দুজন ঝুলছেন। তারপর স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন তাঁদের মই দিয়ে খুঁটি থেকে নিচে নামান।

গতকাল দুপুরে রাজশাহী নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় ১১ হাজার কেভি লাইনে ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ করছিলেন ২ শ্রমিক। এরমধ্য লাইনে সহসাই বিদ্যুৎ চলে আসে। জ্ঞান হারিয়ে তারা ঝুলছিলেন বিদ্যুতের খুঁটিতে। তবে কোমরে বেল্ট থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩১ মার্চ দুপুরে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) বিদ্যুতের খুঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২ শ্রমিক হলেন শামীম রেজা (২৫) ও আকবর আলী (৩৫)। তাদের বাড়ি নগরীর কাপাসিয়া এলাকায়। তারা দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিভিত্তিতে ঠিকাদারের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ২০ মিনিট ঝুলে থাকার পর সহকর্মীরা তাদের নিচে নামিয়ে হাসাতালে নিয়ে যান। শঙ্কামুক্ত হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ছেড়ে দেয়।

জানা গেছে, নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২–এর অধীনে শ্রীরামপুর এলাকায় ট্রান্সফরমার বসানোর জন্য লাইনে কাজ চলছিল। এ কাজের জন্য দুপুর ১২টা থেকে ১ ঘণ্টার জন্য ১১ হাজার কেভি লাইনে শাটডাউন নেওয়া হয়।

কিন্তু কাজ শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় লাইনে বিদ্যুৎ চলে আসে। তারপর দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে দুজন ঝুলছেন। তারপর স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন তাঁদের মই দিয়ে খুঁটি থেকে নিচে নামান।

About admin

Check Also

স্যার আমি আস্তে করি, চেষ্টা করি যেন বেশি ব্যথা না পায়

ক্লাস রুটিন আর পরীক্ষার রুটিনের বাইরে ভিন্ন রকম এক রুটিন চালু করেছে রাঙ্গুনিয়ার এক কওমি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.