স্বাধীন বাংলাদেশে ভোট ডাকাতির জনক জিয়াউর রহমান: ওবায়দুল কাদের

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‌‘স্বাধীন বাংলাদেশে ভোট ডাকাতি ও গণতন্ত্র হত্যার জনক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান।

তিনি ১৯৭৭ সালে কথিত হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে একটি প্রহসনে পরিণত করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ভোটার তালিকায় ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ক্ষমতাকে চিরদিনের মতো কুক্ষিগত করে রাখতে চেয়েছিলেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি আজ সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ ও দেউলিয়া। তাদের নেতাকর্মীরা আজ হতাশ। একেক নেতা একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন।

কখনো নির্বাচনকালীন সরকার, কখনো নিরপেক্ষ সরকার, কখনো জাতীয় সরকারের কথা বলে রাজনীতির মাঠ গরম করার ষড়যন্ত্র করছেন, যা কখনোই সফল হবে না। সংবিধান সম্মতভাবে যথাসময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের প্রতিদিনের বক্তব্য-বিবৃতি রাজনীতির সব ধরনের শিষ্টাচার ও শালীনতা লঙ্ঘন করে চলছে। তাদের বক্তব্য ও বিবৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে পরিপূর্ণ।

যেনতেন প্রকারে বিএনপি আজ ক্ষমতা দখলে এতই উন্মত্ত যে তাদের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বিএনপি নেতাদের এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বহীন বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতির মাঠ থেকে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য হাওয়া ভবনের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল।

হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতা দখল করলেও প্রতিবারই জনরোষের কারণে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশের শাসনভার গ্রহণ করেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‌‘স্বাধীন বাংলাদেশে ভোট ডাকাতি ও গণতন্ত্র হত্যার জনক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান।

তিনি ১৯৭৭ সালে কথিত হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে একটি প্রহসনে পরিণত করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ভোটার তালিকায় ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ক্ষমতাকে চিরদিনের মতো কুক্ষিগত করে রাখতে চেয়েছিলেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি আজ সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ ও দেউলিয়া। তাদের নেতাকর্মীরা আজ হতাশ। একেক নেতা একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন।

কখনো নির্বাচনকালীন সরকার, কখনো নিরপেক্ষ সরকার, কখনো জাতীয় সরকারের কথা বলে রাজনীতির মাঠ গরম করার ষড়যন্ত্র করছেন, যা কখনোই সফল হবে না। সংবিধান সম্মতভাবে যথাসময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের প্রতিদিনের বক্তব্য-বিবৃতি রাজনীতির সব ধরনের শিষ্টাচার ও শালীনতা লঙ্ঘন করে চলছে। তাদের বক্তব্য ও বিবৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে পরিপূর্ণ।

যেনতেন প্রকারে বিএনপি আজ ক্ষমতা দখলে এতই উন্মত্ত যে তাদের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বিএনপি নেতাদের এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বহীন বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতির মাঠ থেকে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য হাওয়া ভবনের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল।

হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতা দখল করলেও প্রতিবারই জনরোষের কারণে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশের শাসনভার গ্রহণ করেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে।

About admin

Check Also

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসছেন সোহেল তাজ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিল অধিবেশনে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ দলীয় নেতৃত্বে আসছেন বলে আসা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.