সেহরির পর মসজিদে আজানের সময় ‘জয় শ্রী রাম’ প্রচারের পরিকল্পনা

পবিত্র রমজানে মসজিদ থেকে যখনই আজান সম্প্রচার হবে ঠিক তখনই হিন্দু প্রার্থনা সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্ণাটকের পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিমদের মুখপাত্র পত্রিকা সিয়াসত ডেইলি গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ খবর দিয়েছে

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিন্দু কর্মী ভরথ শেট্টি সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, সেহরি শেষে ভোররাতে যখন মসজিদে ফজরের আজানের সময় হবে, সেই ভোর ৫টায় হিন্দু প্রার্থনা প্রচার করা হবে।

পুরো রাজ্যজুড়েই এই প্রার্থনা প্রচারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই উগ্রবাদী হিন্দুদের এমন সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঠিক মসজিদে আজানের সময় হিন্দু সংগঠনগুলো ‘ওম নামা শিবায়’, ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানসহ অন্যান্য ভক্তিমূলক প্রার্থনা সম্প্রচার করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শ্রী রাম সেনা জানিয়েছে, তারা ভোর ৫টায় মসজিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল। কিন্তু তহসিলদার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড সে বিষয়ে কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি।

এদিকে শ্রী রাম সেনা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রমোদ মুথালিকের ভাষ্যমতে, ‘আমরা শেষ উপায় হিসাবে জেলা কমিশনারদের কাছে একটি অভিযোগ জমা দেব। সরকারের উচিত মুসলিম সম্প্রদায়কে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা। আমরা তাদের প্রার্থনার বিরোধিতা করি না।

কিন্তু, আমরা লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিরোধিতা করি যার কারণে লক্ষাধিক লোক অসুবিধার সম্মুখীন হয়।’এ সময় তিনি আরও বলেন, পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিদিন ভোর ৫টায় মন্দির থেকে রাম ভজন এবং ভগবান শিবের প্রার্থনা ছড়িয়ে পড়বে।

পবিত্র রমজানে মসজিদ থেকে যখনই আজান সম্প্রচার হবে ঠিক তখনই হিন্দু প্রার্থনা সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্ণাটকের পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিমদের মুখপাত্র পত্রিকা সিয়াসত ডেইলি গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ খবর দিয়েছে

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিন্দু কর্মী ভরথ শেট্টি সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, সেহরি শেষে ভোররাতে যখন মসজিদে ফজরের আজানের সময় হবে, সেই ভোর ৫টায় হিন্দু প্রার্থনা প্রচার করা হবে।

পুরো রাজ্যজুড়েই এই প্রার্থনা প্রচারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই উগ্রবাদী হিন্দুদের এমন সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঠিক মসজিদে আজানের সময় হিন্দু সংগঠনগুলো ‘ওম নামা শিবায়’, ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানসহ অন্যান্য ভক্তিমূলক প্রার্থনা সম্প্রচার করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শ্রী রাম সেনা জানিয়েছে, তারা ভোর ৫টায় মসজিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল। কিন্তু তহসিলদার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড সে বিষয়ে কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি।

এদিকে শ্রী রাম সেনা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রমোদ মুথালিকের ভাষ্যমতে, ‘আমরা শেষ উপায় হিসাবে জেলা কমিশনারদের কাছে একটি অভিযোগ জমা দেব। সরকারের উচিত মুসলিম সম্প্রদায়কে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা। আমরা তাদের প্রার্থনার বিরোধিতা করি না।

কিন্তু, আমরা লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিরোধিতা করি যার কারণে লক্ষাধিক লোক অসুবিধার সম্মুখীন হয়।’এ সময় তিনি আরও বলেন, পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিদিন ভোর ৫টায় মন্দির থেকে রাম ভজন এবং ভগবান শিবের প্রার্থনা ছড়িয়ে পড়বে।

About admin

Check Also

মাঠে অকারণে গড়াগড়ি, আবারো হাসির খোরাক নেইমার

গত ২০১৮ বিশ্বকাপ থেকে শুরু। সামান্য বাধা পেয়ে মাঠে পড়ে গড়াগড়ি খাওয়া, অযথা ডাইভ দেওয়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.