টিপকাণ্ড: কনস্টেবল নাজমুলের বাইকের পেছনে স্ত্রী নয়, ব্যাগ

টিপ পরায় রাজধানীর এক কলেজ শিক্ষিকাকে পুলিশ সদস্যের হেনস্তা করার ঘটনার প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নারীরা কপালে টিপ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

এদিকে, রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় গত শনিবার এ ঘটনার পর নাজমুলকে শনাক্ত করে ডিএমপি। ইতোমধ্যে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে অভিযোগের তদন্তও শুরু হয়েছে।

কনস্টেবল নাজমুলকে শনাক্ত করা হয় ওই এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেয়া একটি স্থিরচিত্র ছড়িয়েছে ফেসবুকে। সেই ছবিটি শেয়ার করে অনেকেই দাবি করেছেন, নাজমুলের মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ছিলেন তার গর্ভবতী স্ত্রী। মোটরসাইকেলে বসা নাজমুলের পেছনে হলুদ রঙের অস্পষ্ট একটি অংশ দেখিয়ে সেটি তার স্ত্রীর পোশাক দাবি করা হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘টিপকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাজমুল তারেকের গর্ভবতী স্ত্রী বাইকের পেছনে বসে ছিলেন, সিসিটিভির ফুটেজে যা স্পষ্ট। কিন্তু সেই গর্ভবতী নারীর বিষয়টি কেন এড়িয়ে যাওয়া হলো?

‘অভিযোগকারী লতা সমাদ্দার থানায় যে অভিযোগ করেছেন, সেখানে কোথাও উল্লেখ করেননি পুলিশ সদস্যের গর্ভবতী স্ত্রীর কথা। অথচ পুলিশ সদস্য ও লতা সমাদ্দারের বাগ্‌বিতণ্ডার সূচনাই হয় পুলিশ সদস্যের গর্ভবতী স্ত্রীর পায়ের সাথে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে।’

একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে ফেসবুকে অনেকেই দাবি করেছেন, ঘটনার দিন নাজমুলের স্ত্রীর সঙ্গে অভিযোগকারী কলেজশিক্ষক ড. লতা সমাদ্দারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। টিপ পরা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়নি।

সিসিটিভির ফুটেজের আরও কিছু স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, কনস্টেবল নাজমুলের পেছনে তার স্ত্রী থাকার দাবি সত্যি নয়। যে হলুদ রঙের বস্তুটিকে নাজমুলের স্ত্রী হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, সেটি মূলত মোটরসাইকেলের পাদানি বরাবর ঝুলিয়ে রাখা একটি হলুদ রঙের ব্যাগ।

টিপ পরায় রাজধানীর এক কলেজ শিক্ষিকাকে পুলিশ সদস্যের হেনস্তা করার ঘটনার প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নারীরা কপালে টিপ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

এদিকে, রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় গত শনিবার এ ঘটনার পর নাজমুলকে শনাক্ত করে ডিএমপি। ইতোমধ্যে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে অভিযোগের তদন্তও শুরু হয়েছে।

কনস্টেবল নাজমুলকে শনাক্ত করা হয় ওই এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেয়া একটি স্থিরচিত্র ছড়িয়েছে ফেসবুকে। সেই ছবিটি শেয়ার করে অনেকেই দাবি করেছেন, নাজমুলের মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ছিলেন তার গর্ভবতী স্ত্রী। মোটরসাইকেলে বসা নাজমুলের পেছনে হলুদ রঙের অস্পষ্ট একটি অংশ দেখিয়ে সেটি তার স্ত্রীর পোশাক দাবি করা হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘টিপকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাজমুল তারেকের গর্ভবতী স্ত্রী বাইকের পেছনে বসে ছিলেন, সিসিটিভির ফুটেজে যা স্পষ্ট। কিন্তু সেই গর্ভবতী নারীর বিষয়টি কেন এড়িয়ে যাওয়া হলো?

‘অভিযোগকারী লতা সমাদ্দার থানায় যে অভিযোগ করেছেন, সেখানে কোথাও উল্লেখ করেননি পুলিশ সদস্যের গর্ভবতী স্ত্রীর কথা। অথচ পুলিশ সদস্য ও লতা সমাদ্দারের বাগ্‌বিতণ্ডার সূচনাই হয় পুলিশ সদস্যের গর্ভবতী স্ত্রীর পায়ের সাথে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে।’

একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে ফেসবুকে অনেকেই দাবি করেছেন, ঘটনার দিন নাজমুলের স্ত্রীর সঙ্গে অভিযোগকারী কলেজশিক্ষক ড. লতা সমাদ্দারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। টিপ পরা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়নি।

সিসিটিভির ফুটেজের আরও কিছু স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, কনস্টেবল নাজমুলের পেছনে তার স্ত্রী থাকার দাবি সত্যি নয়। যে হলুদ রঙের বস্তুটিকে নাজমুলের স্ত্রী হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, সেটি মূলত মোটরসাইকেলের পাদানি বরাবর ঝুলিয়ে রাখা একটি হলুদ রঙের ব্যাগ।

About admin

Check Also

নিজ হাতে পবিত্র কাবা পরিষ্কার করলেন সৌদি যুবরাজ

এবার সৌদি আরবের মক্কা নগরীর গ্র্যান্ড মসজিদের পবিত্র কাবা শরীফ নিজ হাতে পরিষ্কার করেছেন সৌদি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.