বাঁচতে হলে লড়াই করেই বাঁচতে হয়: লতা সমাদ্দার

‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছে টিপকাণ্ড। কপালে টিপ পরায় পুলিশ সদস্য কর্তৃক কলেজ শিক্ষিকার হেনস্থার ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সামান্য টিপকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর এই ঘটনায় নিজ উদ্যোগে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শোবিজের অনেক তারকাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এদিকে,

টিপ ইস্যুতে পুরোদেশ যেভাবে প্রতিবাদে জেগে উঠেছে সেদিকে ইঙ্গিত করে ড. লতা সমাদ্দার বলেছেন, ‘(হয়রানির শিকার হওয়ার সময়) আমি ছিলাম একা, কিন্তু এখন আমি একা না। আমার সাথে অসংখ্য মানুষ চান নারীরা নিরাপদে চলুক। যৌন হয়রানি বন্ধ হোক। এখন আমার মনে হচ্ছে, বাঁচতে হলে লড়াই করেই বাঁচতে হয়। অসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে লড়াই করে মৃত্যুও ভালো।’

এক সাক্ষাৎকারে ড. লতা সমাদ্দার এ কথা বলেন।তিনি তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষিকা। গত ২ এপ্রিল সকালে ফার্মগেটের সেজান পয়েন্টে মধ্যবয়সী এক পুলিশ সদস্য তার কপালের টিপ নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদ জানালে ‘টিপ পরছিস কেন’ বলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।

লতা সমাদ্দার বলেন, ‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরা ওই ব্যক্তি কামুক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। এগিয়ে জানতে চাইলাম, আপনি আমাকে ইভটিজিং কেন করলেন? ওই পুলিশ তখন জঘন্য ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করে। আমি প্রতিবাদ করতেই সে বাইক স্টার্ট দিলো।

আমি জাস্ট সরে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। সরতে গিয়ে ভীষণভাবে আঘাত পাই পায়ে। তারপর সে যখন চলে যাচ্ছিল দ্রুত বাইকের নাম্বারটা মুখস্থ করি। এরপর পাশেই দায়িত্বরত তিনজন ট্রাফিক পুলিশকে গিয়ে জানালাম বিষয়টি। তারা আমাকে পরামর্শ দিলেন থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে। সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই ঘটনা।

তিনি বলেন, আমি তখন আমার কলেজে আসি। এসে ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে কথা বলি। তিনি ও অন্যরা পরামর্শ দিলেন। এরপর শেরেবাংলা নগর থানায় গিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার কথা জানালাম। ইভ টিজিং, যৌন হেনস্থা, আমাকে মেরে ফেলার যে চেষ্টা এবং যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় আমি যে ইনজুরড হয়েছি- সবটা অভিযোগ আকারে তুলে ধরেছি।

‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছে টিপকাণ্ড। কপালে টিপ পরায় পুলিশ সদস্য কর্তৃক কলেজ শিক্ষিকার হেনস্থার ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সামান্য টিপকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর এই ঘটনায় নিজ উদ্যোগে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শোবিজের অনেক তারকাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এদিকে,

টিপ ইস্যুতে পুরোদেশ যেভাবে প্রতিবাদে জেগে উঠেছে সেদিকে ইঙ্গিত করে ড. লতা সমাদ্দার বলেছেন, ‘(হয়রানির শিকার হওয়ার সময়) আমি ছিলাম একা, কিন্তু এখন আমি একা না। আমার সাথে অসংখ্য মানুষ চান নারীরা নিরাপদে চলুক। যৌন হয়রানি বন্ধ হোক। এখন আমার মনে হচ্ছে, বাঁচতে হলে লড়াই করেই বাঁচতে হয়। অসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে লড়াই করে মৃত্যুও ভালো।’

এক সাক্ষাৎকারে ড. লতা সমাদ্দার এ কথা বলেন।তিনি তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষিকা। গত ২ এপ্রিল সকালে ফার্মগেটের সেজান পয়েন্টে মধ্যবয়সী এক পুলিশ সদস্য তার কপালের টিপ নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদ জানালে ‘টিপ পরছিস কেন’ বলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।

লতা সমাদ্দার বলেন, ‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরা ওই ব্যক্তি কামুক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। এগিয়ে জানতে চাইলাম, আপনি আমাকে ইভটিজিং কেন করলেন? ওই পুলিশ তখন জঘন্য ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করে। আমি প্রতিবাদ করতেই সে বাইক স্টার্ট দিলো।

আমি জাস্ট সরে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। সরতে গিয়ে ভীষণভাবে আঘাত পাই পায়ে। তারপর সে যখন চলে যাচ্ছিল দ্রুত বাইকের নাম্বারটা মুখস্থ করি। এরপর পাশেই দায়িত্বরত তিনজন ট্রাফিক পুলিশকে গিয়ে জানালাম বিষয়টি। তারা আমাকে পরামর্শ দিলেন থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে। সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই ঘটনা।

তিনি বলেন, আমি তখন আমার কলেজে আসি। এসে ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে কথা বলি। তিনি ও অন্যরা পরামর্শ দিলেন। এরপর শেরেবাংলা নগর থানায় গিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার কথা জানালাম। ইভ টিজিং, যৌন হেনস্থা, আমাকে মেরে ফেলার যে চেষ্টা এবং যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় আমি যে ইনজুরড হয়েছি- সবটা অভিযোগ আকারে তুলে ধরেছি।

About admin

Check Also

লুঙ্গি ধরে টান দেয়ায় শ্যালিকাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখে নতুন দুলাভাই

এবার কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর রাখানায় খুশি হত্যা ঘটনায় নতুন বর (জেঠাতো বোনের স্বামী) আব্দুল গনিকে গ্রেপ্তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.