ইফতারের পর দই খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

ইফতারের পর দোকান থেকে দই খাওয়াকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পুলেরঘাট বাজারের কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে কালিয়া চাপড়া ইকোনমিক জোন সংলগ্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বুধবার (৬ এপ্রিল) ইফতারের পর দোকান থেকে আগে পরে দই কেনাকে কেন্দ্র করে আদর্শপাড়া এবং জুনাইল গ্রামের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রুপ নেয়। পরে দুই গ্রামের লোকজনই দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সড়কে মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় দুই গ্রামেরই প্রায় ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা, সদর মডেল থানা ও আহুতিয়া ফাঁড়ির অর্ধশতাধিক পুলিশ গিয়ে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইফতারের পর দোকান থেকে দই খাওয়াকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পুলেরঘাট বাজারের কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে কালিয়া চাপড়া ইকোনমিক জোন সংলগ্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বুধবার (৬ এপ্রিল) ইফতারের পর দোকান থেকে আগে পরে দই কেনাকে কেন্দ্র করে আদর্শপাড়া এবং জুনাইল গ্রামের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রুপ নেয়। পরে দুই গ্রামের লোকজনই দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সড়কে মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় দুই গ্রামেরই প্রায় ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা, সদর মডেল থানা ও আহুতিয়া ফাঁড়ির অর্ধশতাধিক পুলিশ গিয়ে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

About admin

Check Also

শঙ্কামুক্ত বর-কনে, ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠছেন

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট চাপায় পিষ্ট প্রাইভেটকারে বেঁচে যাওয়া নবদম্পতি শঙ্কামুক্ত …

Leave a Reply

Your email address will not be published.