স্কুলড্রেস নিয়ে শাসন করেছি, হিজাবের বিষয়ে কিছু বলিনি : আমোদিনী পাল

নওগাঁর মহাদেবপুরে হিজাব পরে স্কুলে আসায় ২০ ছাত্রীকে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। গেলো বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউল বারবারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমোদিনী পাল ২০ ছাত্রীকে পিটিয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকেরা।

এদিকে, ছাত্রীদের হিজাব পরে আসায় নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) ওই শিক্ষিকার একটি ভিডিও বার্তা ভাইরাল হয়। এতে তিনি দাবি করেন, স্কুলড্রেস পরে না আসায় শিক্ষার্থীদের শাসন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখন ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল বলেন, ‘আমি অনলাইনে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, গত ৬/৪/২০২২ রাতে হিজাব পরে বিদ্যালয়ে যাওয়ায় ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে, শামীম আহমেদ জয় নামের ফেসবুক আইডি থেকে এমন একটা পোস্ট দেওয়া হয়। পরে বিভিন্নজন ফেসবুক পোস্টটি ছড়িয়ে দেন।

যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যাচার। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি ২২ ধরে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিবারের মতো পরিচালনা করে আসছি। গত ৬/৪/২০২২ শিক্ষার্থীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বারবার বলার পরেও অনেকেই স্কুলড্রেস না পরেই বিদ্যালয়ে আসে।

এ সময় আমি স্কুলড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের বলি ও নামমাত্র শাসন করি।’ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল নিজেকে স্কুলের গ্রুপিং কোন্দল ও অপরাজনীতির শিকার বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে স্কুলে বিভিন্ন সমস্যা ছিল। এসবের সুযোগে বিভ্ন্নি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। এদিকে প্রধান শিক্ষকের চাকরির বয়স শেষ।

এ অবস্থায় বিভিন্ন মহল নিজ স্বার্থ উদ্ধারে অপপ্রচার করছে। আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কমিটি ও প্রতিষ্ঠানের সমস্যা আড়ালে আমাকে বিনাদোষে অপরাধী করার চেষ্টা চলছে। আমি হিজাব বা ধর্মীয় বিষয়ে কোনও কথা বলিনি।

ওই রাতে অপপ্রচারকারীর কাছে বিষয়টি প্রমাণের জন্য কয়েকজন গেলে, তারা কোনও কথা বলেনি। কিন্তু পরে রাত ১১-১২টার মধ্যে ঠিকই পোস্টটি ডিলিট করা হয়।’বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার জন্য এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী, সহকর্মীসহ সবার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে, ছাত্রীদের হিজাব পরে আসায় নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) ওই শিক্ষিকার একটি ভিডিও বার্তা ভাইরাল হয়। এতে তিনি দাবি করেন, স্কুলড্রেস পরে না আসায় শিক্ষার্থীদের শাসন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখন ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল বলেন, ‘আমি অনলাইনে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, গত ৬/৪/২০২২ রাতে হিজাব পরে বিদ্যালয়ে যাওয়ায় ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে, শামীম আহমেদ জয় নামের ফেসবুক আইডি থেকে এমন একটা পোস্ট দেওয়া হয়। পরে বিভিন্নজন ফেসবুক পোস্টটি ছড়িয়ে দেন।

যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যাচার। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি ২২ ধরে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিবারের মতো পরিচালনা করে আসছি। গত ৬/৪/২০২২ শিক্ষার্থীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বারবার বলার পরেও অনেকেই স্কুলড্রেস না পরেই বিদ্যালয়ে আসে।

এ সময় আমি স্কুলড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের বলি ও নামমাত্র শাসন করি।’ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল নিজেকে স্কুলের গ্রুপিং কোন্দল ও অপরাজনীতির শিকার বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে স্কুলে বিভিন্ন সমস্যা ছিল। এসবের সুযোগে বিভ্ন্নি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। এদিকে প্রধান শিক্ষকের চাকরির বয়স শেষ।

এ অবস্থায় বিভিন্ন মহল নিজ স্বার্থ উদ্ধারে অপপ্রচার করছে। আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কমিটি ও প্রতিষ্ঠানের সমস্যা আড়ালে আমাকে বিনাদোষে অপরাধী করার চেষ্টা চলছে। আমি হিজাব বা ধর্মীয় বিষয়ে কোনও কথা বলিনি।

About admin

Check Also

স্যার আমি আস্তে করি, চেষ্টা করি যেন বেশি ব্যথা না পায়

ক্লাস রুটিন আর পরীক্ষার রুটিনের বাইরে ভিন্ন রকম এক রুটিন চালু করেছে রাঙ্গুনিয়ার এক কওমি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.