মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মারা গেলেন মুসল্লি

ময়মনসিংহের ভালুকায় নামাজরত অবস্থায় কাইমুদ্দিন (১০০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) ফজরের সময় উপজেলার ডাকাতিয়া নামাপাড়া গ্রামের নয়াপাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। মৃত কাইমুদ্দিন ওই এলাকার মৃত সাবেদ আলীর ছেলে।

ডাকাতিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের ইউপিঃ সদস্য মোঃআজিজুল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, কাইমুদ্দিন খুব দরিদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি তিন ছেলে ও চার মেয়ের বাবা। তবে, এক ছেলে মারা গেছেন। দুই ছেলে তার দেখাশোনা করতেন না। তার বড় মেয়ের জামাই তাকে নিয়মিত দেখশোনা করতেন।

এ বিষয়ে ডাকাতিয়া ইউনিয়নের কাজী আজহার আলী গণমাধ্যমকে বলেন, মৃত কাইমুদ্দিন আমার মামাত ভাই হয়। প্রতি দিনের মত শুক্রবার সেহরি খেয়ে কাইমুদ্দিন নামাজ আদায় করতে মসজিদে আসেন। আসার পর ওযু করে নামাজ আদায় করতে মসজিদে ডুকেন। মসজিদে ডুকে পেট ব্যথা করছে বলে জানায়। তাছাড়া কাইমুদ্দিন শ্বাস কষ্টের রোগী ছিলেন।

এসময় তার অবস্থা খারাপ হলে তার বাড়ি থেকে ইনহেলার আনিয়ে মুখে দিলে কিছুটা সুস্থতা অনুভব করেন। তিনি আরও বলেন, পরে তাকে জায়নামাজে বসিয়ে সবাই মিলে ফজরের ফরজ নামাজ শুরু করি।

কাইমুদ্দিন বসেই ফরজ নামাজের নিয়ত করেন। নামাজ আদায় করতে করতে তিনি মারা যান। পরে নামাজ শেষে সবাই তাকে মৃত অবস্থায় পাই। প্রায় ১০০ বছর বয়সেও সে নিয়মিত রোজা রাখতেন এবং মসজিদে এসে জামায়াতে নিয়মিত নামাজ পড়তেন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় নামাজরত অবস্থায় কাইমুদ্দিন (১০০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) ফজরের সময় উপজেলার ডাকাতিয়া নামাপাড়া গ্রামের নয়াপাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। মৃত কাইমুদ্দিন ওই এলাকার মৃত সাবেদ আলীর ছেলে।

ডাকাতিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের ইউপিঃ সদস্য মোঃআজিজুল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, কাইমুদ্দিন খুব দরিদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি তিন ছেলে ও চার মেয়ের বাবা। তবে, এক ছেলে মারা গেছেন। দুই ছেলে তার দেখাশোনা করতেন না। তার বড় মেয়ের জামাই তাকে নিয়মিত দেখশোনা করতেন।

এ বিষয়ে ডাকাতিয়া ইউনিয়নের কাজী আজহার আলী গণমাধ্যমকে বলেন, মৃত কাইমুদ্দিন আমার মামাত ভাই হয়। প্রতি দিনের মত শুক্রবার সেহরি খেয়ে কাইমুদ্দিন নামাজ আদায় করতে মসজিদে আসেন। আসার পর ওযু করে নামাজ আদায় করতে মসজিদে ডুকেন। মসজিদে ডুকে পেট ব্যথা করছে বলে জানায়। তাছাড়া কাইমুদ্দিন শ্বাস কষ্টের রোগী ছিলেন।

এসময় তার অবস্থা খারাপ হলে তার বাড়ি থেকে ইনহেলার আনিয়ে মুখে দিলে কিছুটা সুস্থতা অনুভব করেন। তিনি আরও বলেন, পরে তাকে জায়নামাজে বসিয়ে সবাই মিলে ফজরের ফরজ নামাজ শুরু করি।

কাইমুদ্দিন বসেই ফরজ নামাজের নিয়ত করেন। নামাজ আদায় করতে করতে তিনি মারা যান। পরে নামাজ শেষে সবাই তাকে মৃত অবস্থায় পাই। প্রায় ১০০ বছর বয়সেও সে নিয়মিত রোজা রাখতেন এবং মসজিদে এসে জামায়াতে নিয়মিত নামাজ পড়তেন।

About admin

Check Also

শঙ্কামুক্ত বর-কনে, ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠছেন

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট চাপায় পিষ্ট প্রাইভেটকারে বেঁচে যাওয়া নবদম্পতি শঙ্কামুক্ত …

Leave a Reply

Your email address will not be published.