আবারও দ্বিতীয়বারের মতো রিকি পন্টিংয়ের কাছ থেকে ম্যাচসেরার “খেতাব” জিতলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করার জন্য আবারও দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ রিকি পন্টিংয়ের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।‌ আইপিএলে পরপর দুই ম্যাচে হারের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। ‌

ওই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ করে ইনিংসের প্রথম বল থেকেই কলকাতাকে চেপে ধরেন মুস্তাফিজ। ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিলেন কেকেআর ক্রিকেটাররা। ওভার প্রতি প্রায় ১১ রান দরকার ছিল। নাইটরা আক্রমণাত্মক শুরু করবেন, এটাই প্রত্যাশিত ছিল।

এই অবস্থায় মুস্তাফিজুরের হাতে নতুন বল তুলে দেন দিল্লির অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। হতাশ করেননি মুস্তাফিজুর। প্রথম বল থেকেই রহাণেকে অস্বস্তিতে রাখেন তিনি। প্রথম স্পেলের ২ ওভারে মাত্র ৫ রান খরচ করেন মুস্তাফিজুর। তিনি বল করার আগে যে বাইশ গজকে ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্য মনে হচ্ছিল, সেই উইকেটেই বলকে কথা বলালেন তিনি।

তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সুবাদেই আরও কঠিন হল কলকাতার ওভার প্রতি রানের লক্ষ্য। বাড়ল চাপ। অতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে গিয়ে ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারালেন কলকাতার ব্যাটাররা। মুস্তাফিজুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই দিল্লির জয় এ দিন এত সহজ হল।

প্রতি ম্যাচের শেষেই ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটারদের সাথে বিশেষ বৈঠক করেন প্রধান কোচ রিকি পন্টিং। এই সময়ে ভালো খেলা ক্রিকেটারদের পুরস্কৃত করেন তিনি। যেখানে কুলদীপ যাদব, খলিল আহমেদ, রিশাব পান্ত, ডেভিড ওয়ার্নারের সাথে পুরস্কৃত হন মুস্তাফিজুর রহমান।

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করার জন্য আবারও দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ রিকি পন্টিংয়ের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।‌ আইপিএলে পরপর দুই ম্যাচে হারের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। ‌

ওই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ করে ইনিংসের প্রথম বল থেকেই কলকাতাকে চেপে ধরেন মুস্তাফিজ। ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিলেন কেকেআর ক্রিকেটাররা। ওভার প্রতি প্রায় ১১ রান দরকার ছিল। নাইটরা আক্রমণাত্মক শুরু করবেন, এটাই প্রত্যাশিত ছিল।

এই অবস্থায় মুস্তাফিজুরের হাতে নতুন বল তুলে দেন দিল্লির অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। হতাশ করেননি মুস্তাফিজুর। প্রথম বল থেকেই রহাণেকে অস্বস্তিতে রাখেন তিনি। প্রথম স্পেলের ২ ওভারে মাত্র ৫ রান খরচ করেন মুস্তাফিজুর। তিনি বল করার আগে যে বাইশ গজকে ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্য মনে হচ্ছিল, সেই উইকেটেই বলকে কথা বলালেন তিনি।

তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সুবাদেই আরও কঠিন হল কলকাতার ওভার প্রতি রানের লক্ষ্য। বাড়ল চাপ। অতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে গিয়ে ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারালেন কলকাতার ব্যাটাররা। মুস্তাফিজুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই দিল্লির জয় এ দিন এত সহজ হল।

প্রতি ম্যাচের শেষেই ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটারদের সাথে বিশেষ বৈঠক করেন প্রধান কোচ রিকি পন্টিং। এই সময়ে ভালো খেলা ক্রিকেটারদের পুরস্কৃত করেন তিনি। যেখানে কুলদীপ যাদব, খলিল আহমেদ, রিশাব পান্ত, ডেভিড ওয়ার্নারের সাথে পুরস্কৃত হন মুস্তাফিজুর রহমান।

About admin

Check Also

তামিম মিথ্যা কথা বলেছে -পাপন

বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ওপেনার তামিম ইকবালের টি-২০ ক্যারিয়ারের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা ও জটিলতা যেনো কিছুতেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.