মন্ত্রীর কাছে সাফল্য তুলে ধরতে কৃষকের কাঁচা ধান কেটে ফেললেন কর্মকর্তারা

এবার হাওরে ধান কাটা উৎসব শুরু করতে গিয়ে এক কৃষকের জমির কাঁচা ধান কেটে মন্ত্রীকে দেখিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, এমন আনুষ্ঠানিকতায় নষ্ট হয়ে গেছে তাদের পরিশ্রমের ফসল। নিষেধ করলেও মন্ত্রীর সুবিধার্থে কৃষকের আকুতি শোনেননি কৃষি কর্মকর্তারা।

গতকাল শনিবার ১৬ এপ্রিল সুনামগঞ্জে আলোচনা সভার পর ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন করতে কৃষিমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় সভা লাগোয়া একটি জমিতে। ওই জমির ধান কাঁচা থাকলেও তা কেটে ফটোশেসন করেন কৃষি কর্মকর্তারা।

কৃষক আব্দুর রউফ বলছেন, নিষেধ করা হয়েছে কৃষি কর্মকর্তাদের। তবে তারা বলেছেন, মন্ত্রী দূরে হেঁটে যেতে পারবেন না, তাই এই জমির ধানই কাটতে হবে। রউফ মিয়া জানালেন, এই ধান কাটায় অবশ্যই ক্ষতি হয়েছে তার।

এ ব্যাপারে চাষিরা বলছেন, মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে হাওরে কৃষি বিভাগের কথিত সাফল্য। লুকিয়ে ফেলা হয়েছে দেখার হাওরে কৃষকের হাজারও সর্বনাশ। কৃষকরা জানলেন,কেটে ফেলা ওই জমির ষোলো আনা ধানের ছয় আনাই কাঁচা।

কিন্তু এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চান না কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তা। তবে কৃষি বিভাগের পক্ষে সাফাই গাইলেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ। তিনি বললেন, সব ধান পাকলে বরং জমিতে ঝরে পড়তো। তাই কাঁচা ধান কাটায় অপরাধ দেখছেন না তিনি।

এবার হাওরে ধান কাটা উৎসব শুরু করতে গিয়ে এক কৃষকের জমির কাঁচা ধান কেটে মন্ত্রীকে দেখিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, এমন আনুষ্ঠানিকতায় নষ্ট হয়ে গেছে তাদের পরিশ্রমের ফসল। নিষেধ করলেও মন্ত্রীর সুবিধার্থে কৃষকের আকুতি শোনেননি কৃষি কর্মকর্তারা।

গতকাল শনিবার ১৬ এপ্রিল সুনামগঞ্জে আলোচনা সভার পর ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন করতে কৃষিমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় সভা লাগোয়া একটি জমিতে। ওই জমির ধান কাঁচা থাকলেও তা কেটে ফটোশেসন করেন কৃষি কর্মকর্তারা।

কৃষক আব্দুর রউফ বলছেন, নিষেধ করা হয়েছে কৃষি কর্মকর্তাদের। তবে তারা বলেছেন, মন্ত্রী দূরে হেঁটে যেতে পারবেন না, তাই এই জমির ধানই কাটতে হবে। রউফ মিয়া জানালেন, এই ধান কাটায় অবশ্যই ক্ষতি হয়েছে তার।

এ ব্যাপারে চাষিরা বলছেন, মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে হাওরে কৃষি বিভাগের কথিত সাফল্য। লুকিয়ে ফেলা হয়েছে দেখার হাওরে কৃষকের হাজারও সর্বনাশ। কৃষকরা জানলেন,কেটে ফেলা ওই জমির ষোলো আনা ধানের ছয় আনাই কাঁচা।

কিন্তু এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চান না কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তা। তবে কৃষি বিভাগের পক্ষে সাফাই গাইলেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ। তিনি বললেন, সব ধান পাকলে বরং জমিতে ঝরে পড়তো। তাই কাঁচা ধান কাটায় অপরাধ দেখছেন না তিনি।

About admin

Check Also

টাকার মান আরেক দফা কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক

বারো দিনের মাথায় টাকার মান আরেক দফা কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৭ এপ্রিল মার্কিন ডলারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.