গোটা বিশ্বে রাস্তা আটকে নামাজ পড়া বন্ধ করা হোক: তসলিমা নাসরিন

প্রথাবিরোধী লেখার কারনে এবং উগ্রপন্থী মুসলিমদের বিরোধীতার কারনে এরকম বাধ্য হয়েই দেশ ছাড়েন তসলিমা নাসরিন। ৯৫% মুসলমানের দেশ হওয়ায় তসলিমা নাসরিন অন্য ধর্মের ব্যপারে কথা না বলে সরাসরি ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে প্রচুর লেখা লিখতেন।

রাস্তায় বসে নামাজ পড়ার বিরোধিতা করে এবার বিতর্কের মুখে পড়লেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তসলিমার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই তুমুল শোরগোল শুরু হয়ে গেছে নেটপাড়ায়। নেটিজেনরা তো ক্ষেপে লাল লেখিকার উপর। তার সঙ্গে সহমত পোষণও করেছেন কেউ কেউ।

তা ঠিক কী লিখেছেন তসলিমা?

তসলিমা টুইটারে লিখলেন, ‘নমাজ পড়ার অধিকার নিয়ে আমি মুসলিমদের সমর্থন করি। যদিও আমি মনে করি নমাজ পড়ার সবচেয়ে সঠিক স্থান, নিজের বাড়ি। তবে যখন তারা রাস্তা আটকে এবং সমস্যার সৃষ্টি করে নমাজ পড়েন, সেটাকে আমি একদমই সমর্থন করি না। গোটা বিশ্বে রাস্তা আটকে নমাজ পড়া বন্ধ করা হক।’

প্রথাবিরোধী লেখার কারনে এবং উগ্রপন্থী মুসলিমদের বিরোধীতার কারনে এরকম বাধ্য হয়েই দেশ ছাড়েন তসলিমা নাসরিন। ৯৫% মুসলমানের দেশ হওয়ায় তসলিমা নাসরিন অন্য ধর্মের ব্যপারে কথা না বলে সরাসরি ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে প্রচুর লেখা লিখতেন।

রাস্তায় বসে নামাজ পড়ার বিরোধিতা করে এবার বিতর্কের মুখে পড়লেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তসলিমার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই তুমুল শোরগোল শুরু হয়ে গেছে নেটপাড়ায়। নেটিজেনরা তো ক্ষেপে লাল লেখিকার উপর। তার সঙ্গে সহমত পোষণও করেছেন কেউ কেউ।

তা ঠিক কী লিখেছেন তসলিমা?

তসলিমা টুইটারে লিখলেন, ‘নমাজ পড়ার অধিকার নিয়ে আমি মুসলিমদের সমর্থন করি। যদিও আমি মনে করি নমাজ পড়ার সবচেয়ে সঠিক স্থান, নিজের বাড়ি। তবে যখন তারা রাস্তা আটকে এবং সমস্যার সৃষ্টি করে নমাজ পড়েন, সেটাকে আমি একদমই সমর্থন করি না। গোটা বিশ্বে রাস্তা আটকে নমাজ পড়া বন্ধ করা হক।’

প্রথাবিরোধী লেখার কারনে এবং উগ্রপন্থী মুসলিমদের বিরোধীতার কারনে এরকম বাধ্য হয়েই দেশ ছাড়েন তসলিমা নাসরিন। ৯৫% মুসলমানের দেশ হওয়ায় তসলিমা নাসরিন অন্য ধর্মের ব্যপারে কথা না বলে সরাসরি ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে প্রচুর লেখা লিখতেন।

রাস্তায় বসে নামাজ পড়ার বিরোধিতা করে এবার বিতর্কের মুখে পড়লেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তসলিমার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই তুমুল শোরগোল শুরু হয়ে গেছে নেটপাড়ায়। নেটিজেনরা তো ক্ষেপে লাল লেখিকার উপর। তার সঙ্গে সহমত পোষণও করেছেন কেউ কেউ।

তা ঠিক কী লিখেছেন তসলিমা?

তসলিমা টুইটারে লিখলেন, ‘নমাজ পড়ার অধিকার নিয়ে আমি মুসলিমদের সমর্থন করি। যদিও আমি মনে করি নমাজ পড়ার সবচেয়ে সঠিক স্থান, নিজের বাড়ি। তবে যখন তারা রাস্তা আটকে এবং সমস্যার সৃষ্টি করে নমাজ পড়েন, সেটাকে আমি একদমই সমর্থন করি না। গোটা বিশ্বে রাস্তা আটকে নমাজ পড়া বন্ধ করা হক।’
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

About admin

Check Also

যাঁদের স্তন দেখতে ভাল নয়, তাঁরা যে কেন খোলামেলা পোশাক পরেন বুঝি না: তসলিমা

অন্যের শরীরের আকৃতি নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার কোনও অধিকার তাঁর নেই, নেটাগরিকরা মনে করিয়ে দিলেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.