মুষলধারে বৃষ্টির পর সমুদ্রের পাড়ে মিলল অদ্ভূত প্রাণী, এলিয়েন বলে দাবি নেটিজেনদের

এই সৌরজগতে বহু ধরনের প্রাণী দেখা যায়, যাদের কিছুকিছু প্রাণীকে আমরা দেখে খুব সহজে শনাক্ত করতে পারি আবার এমন কিছু প্রাণী আছে যাদেরকে শনাক্ত করা যায় না। বিজ্ঞানীরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে অনেকদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই সৌরজগতে বায়ুমণ্ডলের থেকেও বেশি সংখ্যক প্রাণ জলমণ্ডলে বসবাস করে। এই জলমণ্ডলে এমন অনেক প্রাণ আছে যা আমরা খুব সহজে শনাক্ত করতে পারিনা। কিছুদিন আগে এমনি বেশ কিছু প্রাণী অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রসৈকতে দেখা গিয়েছিল। যা ওই প্রাণীগুলি খুবই রহস্যময় হয়ে ওঠে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পরে সমুদ্রের তীরে বেশ কিছু প্রাণী দেখা গিয়েছিল। প্রাথমিক অবস্থায় উক্ত প্রাণীগুলোকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ভূত প্রাণীগুলো মানুষের কাছে রহস্যময় হয়ে ওঠে। অনেকের মতে এগুলি এলিয়েন (Alien), আবার কেউ বলেছেন ক্ষুদ্র ড্রাগন।

অস্ট্রেলিয়ায় (Australia) কয়েক সপ্তাহ ধরে অপ্রত্যাশিতভাবে বৃষ্টির কারণে সমুদ্র সৈকতে অদ্ভুত প্রাণীর মৃত অবস্থায় পর থাকার খবর আসতে থাকে। এবং তাদের চিত্রও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। এর আগে মানুষ এই ভিনপ্রজাতির প্রাণী কখনো দেখেনি। বিশেষজ্ঞরাও এই ধরনের প্রজাতির প্রাণী দেখে চিন্তিত এবং পর্যবেক্ষণ সংযত বলে মনে করছে।

সমুদ্রসৈকতে শুয়ে থাকা জলজ প্রাণীর ছবি যে হারে আসছে তার মধ্যে অনেকেরই ভিন্নতা রয়েছে। ক্রুনালু, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কস্টে পাওয়া প্রাণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আগাছা সিড্রাগন।

সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি মেরিন ইকোলজির অধ্যাপক ডঃ ডেভিড বুথের মত, এটি হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন ও দূষণের সংমিশ্রণ,যার ফলে বড়ো সামুদ্রিক ঢেউ প্রাণীগুলিকে সমুদ্র থেকে কিনারায় তুলে এনেছে। বর্তমানে প্রাণীগুলি সংগৃহীত ও পর্যবেক্ষণ বস্থায়।

এই সৌরজগতে বহু ধরনের প্রাণী দেখা যায়, যাদের কিছুকিছু প্রাণীকে আমরা দেখে খুব সহজে শনাক্ত করতে পারি আবার এমন কিছু প্রাণী আছে যাদেরকে শনাক্ত করা যায় না। বিজ্ঞানীরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে অনেকদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই সৌরজগতে বায়ুমণ্ডলের থেকেও বেশি সংখ্যক প্রাণ জলমণ্ডলে বসবাস করে। এই জলমণ্ডলে এমন অনেক প্রাণ আছে যা আমরা খুব সহজে শনাক্ত করতে পারিনা। কিছুদিন আগে এমনি বেশ কিছু প্রাণী অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রসৈকতে দেখা গিয়েছিল। যা ওই প্রাণীগুলি খুবই রহস্যময় হয়ে ওঠে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পরে সমুদ্রের তীরে বেশ কিছু প্রাণী দেখা গিয়েছিল। প্রাথমিক অবস্থায় উক্ত প্রাণীগুলোকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ভূত প্রাণীগুলো মানুষের কাছে রহস্যময় হয়ে ওঠে। অনেকের মতে এগুলি এলিয়েন (Alien), আবার কেউ বলেছেন ক্ষুদ্র ড্রাগন।

অস্ট্রেলিয়ায় (Australia) কয়েক সপ্তাহ ধরে অপ্রত্যাশিতভাবে বৃষ্টির কারণে সমুদ্র সৈকতে অদ্ভুত প্রাণীর মৃত অবস্থায় পর থাকার খবর আসতে থাকে। এবং তাদের চিত্রও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। এর আগে মানুষ এই ভিনপ্রজাতির প্রাণী কখনো দেখেনি। বিশেষজ্ঞরাও এই ধরনের প্রজাতির প্রাণী দেখে চিন্তিত এবং পর্যবেক্ষণ সংযত বলে মনে করছে।

সমুদ্রসৈকতে শুয়ে থাকা জলজ প্রাণীর ছবি যে হারে আসছে তার মধ্যে অনেকেরই ভিন্নতা রয়েছে। ক্রুনালু, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কস্টে পাওয়া প্রাণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আগাছা সিড্রাগন।

সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি মেরিন ইকোলজির অধ্যাপক ডঃ ডেভিড বুথের মত, এটি হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন ও দূষণের সংমিশ্রণ,যার ফলে বড়ো সামুদ্রিক ঢেউ প্রাণীগুলিকে সমুদ্র থেকে কিনারায় তুলে এনেছে। বর্তমানে প্রাণীগুলি সংগৃহীত ও পর্যবেক্ষণ বস্থায়।

এই সৌরজগতে বহু ধরনের প্রাণী দেখা যায়, যাদের কিছুকিছু প্রাণীকে আমরা দেখে খুব সহজে শনাক্ত করতে পারি আবার এমন কিছু প্রাণী আছে যাদেরকে শনাক্ত করা যায় না। বিজ্ঞানীরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে অনেকদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই সৌরজগতে বায়ুমণ্ডলের থেকেও বেশি সংখ্যক প্রাণ জলমণ্ডলে বসবাস করে। এই জলমণ্ডলে এমন অনেক প্রাণ আছে যা আমরা খুব সহজে শনাক্ত করতে পারিনা। কিছুদিন আগে এমনি বেশ কিছু প্রাণী অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রসৈকতে দেখা গিয়েছিল। যা ওই প্রাণীগুলি খুবই রহস্যময় হয়ে ওঠে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পরে সমুদ্রের তীরে বেশ কিছু প্রাণী দেখা গিয়েছিল। প্রাথমিক অবস্থায় উক্ত প্রাণীগুলোকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ভূত প্রাণীগুলো মানুষের কাছে রহস্যময় হয়ে ওঠে। অনেকের মতে এগুলি এলিয়েন (Alien), আবার কেউ বলেছেন ক্ষুদ্র ড্রাগন।

অস্ট্রেলিয়ায় (Australia) কয়েক সপ্তাহ ধরে অপ্রত্যাশিতভাবে বৃষ্টির কারণে সমুদ্র সৈকতে অদ্ভুত প্রাণীর মৃত অবস্থায় পর থাকার খবর আসতে থাকে। এবং তাদের চিত্রও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। এর আগে মানুষ এই ভিনপ্রজাতির প্রাণী কখনো দেখেনি। বিশেষজ্ঞরাও এই ধরনের প্রজাতির প্রাণী দেখে চিন্তিত এবং পর্যবেক্ষণ সংযত বলে মনে করছে।

সমুদ্রসৈকতে শুয়ে থাকা জলজ প্রাণীর ছবি যে হারে আসছে তার মধ্যে অনেকেরই ভিন্নতা রয়েছে। ক্রুনালু, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কস্টে পাওয়া প্রাণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আগাছা সিড্রাগন।

সিডনির ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি মেরিন ইকোলজির অধ্যাপক ডঃ ডেভিড বুথের মত, এটি হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন ও দূষণের সংমিশ্রণ,যার ফলে বড়ো সামুদ্রিক ঢেউ প্রাণীগুলিকে সমুদ্র থেকে কিনারায় তুলে এনেছে। বর্তমানে প্রাণীগুলি সংগৃহীত ও পর্যবেক্ষণ বস্থায়।

About admin

Check Also

মাঠে অকারণে গড়াগড়ি, আবারো হাসির খোরাক নেইমার

গত ২০১৮ বিশ্বকাপ থেকে শুরু। সামান্য বাধা পেয়ে মাঠে পড়ে গড়াগড়ি খাওয়া, অযথা ডাইভ দেওয়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.