মা ও মেয়ের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে প্রচার, দুই ভাই গ্রেফতার

চট্টগ্রামে এক কলেজছাত্রী ও তার মায়ের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

ওই দুজন হলেন অভিষেক সেন শর্মা (১৯) ও আদিত্য বড়ুয়া (১৮)। দুজনে আপন খালাতো ভাই। এদের মধ্যে অভিষেক চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির বিবিএতে পড়ালেখা করছেন। আদিত্য সেন্টপ্লাসিড স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসির ছাত্র।

বুধবার রাতে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন গণমাধ্যমকে এ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর পাঁচলাইশ থানার প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ে ও নন্দনকানন এলাকায় বুধবার দিনে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার নগরীর পাঁচলাইশ থানায় দায়ের করা মামলায় কলেজছাত্রী অভিযোগ করেছেন, গত ২৯ মার্চ রাতে তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে এবং হোয়াটস অ্যাপে বাসায় পোশাক পাল্টানোর ভিডিও পাঠায় অভিষেক।

কলেজছাত্রী এবং তার মা অভিষেকের সাথে যোগাযোগ করলে অভিষেক জানায়, এ ধরনের আরো ভিডিও তিনি বিভিন্ন জনের ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন। ওইগুলো পর্নসাইটে আপলোডের হুমকি দিয়ে তিনি ৯ হাজার টাকা দাবি করেন।

ওই ছাত্রীকে তার মায়েরও একই ধরনের কয়েকটি অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে এবং হোয়াটস অ্যাপে পাঠায়। এরপর তারা বিষয়টি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এবং পাঁচলাইশ থানাকে অবহিত করে।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন জানান, প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ে অভিষেকের নানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ের প্রহরীর ছেলে এই ভিডিও করে অভিষেককে দিয়েছে।

অভিষেক তার খালাতো ভাই আদিত্যকে দিয়েছে। আদিত্য ভিন্ন নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সেগুলো কয়েকজন বন্ধুর ম্যাসেঞ্জারে দেয় এবং পর্ন সাইটে দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর নন্দনকানন এক নম্বর গলি থেকে আদিত্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর প্রহরীর ছেলেকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামে এক কলেজছাত্রী ও তার মায়ের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

ওই দুজন হলেন অভিষেক সেন শর্মা (১৯) ও আদিত্য বড়ুয়া (১৮)। দুজনে আপন খালাতো ভাই। এদের মধ্যে অভিষেক চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির বিবিএতে পড়ালেখা করছেন। আদিত্য সেন্টপ্লাসিড স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসির ছাত্র।

বুধবার রাতে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন গণমাধ্যমকে এ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর পাঁচলাইশ থানার প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ে ও নন্দনকানন এলাকায় বুধবার দিনে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার নগরীর পাঁচলাইশ থানায় দায়ের করা মামলায় কলেজছাত্রী অভিযোগ করেছেন, গত ২৯ মার্চ রাতে তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে এবং হোয়াটস অ্যাপে বাসায় পোশাক পাল্টানোর ভিডিও পাঠায় অভিষেক।

কলেজছাত্রী এবং তার মা অভিষেকের সাথে যোগাযোগ করলে অভিষেক জানায়, এ ধরনের আরো ভিডিও তিনি বিভিন্ন জনের ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন। ওইগুলো পর্নসাইটে আপলোডের হুমকি দিয়ে তিনি ৯ হাজার টাকা দাবি করেন।

ওই ছাত্রীকে তার মায়েরও একই ধরনের কয়েকটি অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে এবং হোয়াটস অ্যাপে পাঠায়। এরপর তারা বিষয়টি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এবং পাঁচলাইশ থানাকে অবহিত করে।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন জানান, প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ে অভিষেকের নানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ের প্রহরীর ছেলে এই ভিডিও করে অভিষেককে দিয়েছে।

অভিষেক তার খালাতো ভাই আদিত্যকে দিয়েছে। আদিত্য ভিন্ন নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সেগুলো কয়েকজন বন্ধুর ম্যাসেঞ্জারে দেয় এবং পর্ন সাইটে দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর নন্দনকানন এক নম্বর গলি থেকে আদিত্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর প্রহরীর ছেলেকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

সূত্র : ইউএনবি

About admin

Check Also

শঙ্কামুক্ত বর-কনে, ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠছেন

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট চাপায় পিষ্ট প্রাইভেটকারে বেঁচে যাওয়া নবদম্পতি শঙ্কামুক্ত …

Leave a Reply

Your email address will not be published.