কথা ছিল আজ রবিবার দেখা হবে বাবা-মেয়ের, তা আর হলো না :মনিরুজ্জামান।

বড় হয়ে জান্নাতুল জানবে ‘বাবা দেশের মানুষের জন্য জীবন দিয়েছেন’দেড় মাস আগেই পৃথিবীর মুখ দেখেছে শিশুটি। পরিবারের সবাই ভালোবেসে কন্যাশিশুটির নাম রেখেছে জান্নাতুল মাওয়া। এখনো বাবার সঙ্গে দেখা হয়নি মাওয়ার। বাবা মনিরুজ্জামান আসবেন; কিন্তু ছুটি মিলছিল না।

কথা ছিল শিগগিরই ছুটি নিয়ে আসবেন প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে। আজ রবিবার দেখা হবে বাবা-মেয়ের। তবে বাবা মনিরুজ্জামান চোখ খুলে দেখতে পারবেন না প্রথম সন্তান জান্নাতকে। শনিবার সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামানের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নাইয়ারা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের ছেলে। তার স্ত্রী পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় বাবার বাড়িতে সন্তান নিয়ে অবস্থান করছিলেন।

স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির পথে রওনা হয়েছেন মাহমুদা আক্তার মুক্তা। বিষয়টি জানিয়েছেন মনিরের মামা মীর হোসেন।মনিরুজ্জামান চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে নার্সিং অ্যাডেনটেন্ট পদে কমর্রত ছিলেন।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) জয়নাল আবেদীন বলেন, মনিরুজ্জামানের সাত দিন বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে নিজের সন্তানের চেহারা সরাসরি দেখে যেতে পারেননি তিনি। সম্প্রতি মনির ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বদলি হয়েছিলেন। বিয়ে করেছিলেন পটুয়াখালী।

সেখানেই তার সন্তান হয়। সেখানে ছুটি নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ছুটি নিয়ে আর বাড়ি আসা হয়নি, চিরছুটিতে চলে গেলেন।নিহতের মামা মীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে খবর পেয়েছি মনিরুজ্জামান আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ হয়।

পরে রবিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখি তার মরদেহ পড়ে আছে। মনিরুজ্জামান নিজের পেশাগত কারণে জীবন দিল। তার অবুঝ সন্তান নিয়ে স্ত্রী এবং পরিবার কী করবে ভেবে পাচ্ছে না। বড় হয়ে জান্নাতুল জানবে তার বাবা দেশের মানুষের জন্য জীবন দিয়েছেন। ‘

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, ‘রবিবার সকালে খবর পেয়েছি মনিরুজ্জামান মারা গেছেন। আমরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনানুগ যত রকমের সহযোগিতা দেওয়া যায়, সব করব। এ ঘটনায় আমরাও শোকাহত।

কথা ছিল শিগগিরই ছুটি নিয়ে আসবেন প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে। আজ রবিবার দেখা হবে বাবা-মেয়ের। তবে বাবা মনিরুজ্জামান চোখ খুলে দেখতে পারবেন না প্রথম সন্তান জান্নাতকে। শনিবার সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামানের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নাইয়ারা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের ছেলে। তার স্ত্রী পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় বাবার বাড়িতে সন্তান নিয়ে অবস্থান করছিলেন।

স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির পথে রওনা হয়েছেন মাহমুদা আক্তার মুক্তা। বিষয়টি জানিয়েছেন মনিরের মামা মীর হোসেন।মনিরুজ্জামান চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে নার্সিং অ্যাডেনটেন্ট পদে কমর্রত ছিলেন।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) জয়নাল আবেদীন বলেন, মনিরুজ্জামানের সাত দিন বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে নিজের সন্তানের চেহারা সরাসরি দেখে যেতে পারেননি তিনি। সম্প্রতি মনির ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বদলি হয়েছিলেন। বিয়ে করেছিলেন পটুয়াখালী।‘

About admin

Check Also

লুঙ্গি ধরে টান দেয়ায় শ্যালিকাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখে নতুন দুলাভাই

এবার কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর রাখানায় খুশি হত্যা ঘটনায় নতুন বর (জেঠাতো বোনের স্বামী) আব্দুল গনিকে গ্রেপ্তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.