এত বড় একজন মন্ত্রী কল দিলে তার সঙ্গে বেয়াদবি করা যায় না: ইমন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও চিত্রনায়ক ইমনের একটি ফো’নালাপ নে’টদু’নিয়ায় ভা’ইরা’ল হয়েছে। চারদিকে চলছে আ’লোচনা-স’মালোচনা। এ নিয়ে এবার মুখ খুললেন ইমন।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) নায়ক ইমন গণমাধ্যমকে বলেন, অডিও ক্লি’পটি সঠিক। অপর প্রান্তে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। তবে ঘটনাটা দুই বছর আগের। একটি ছবির মহরত অনুষ্ঠানের আগের রাতে ফোন দেন প্রতিমন্ত্রী।

ইমন বলেন, আমি খুবই হতা’শ হচ্ছি যারা আমাকে চেনেন ও জানেন তারাও আ’জেবা’জে মন্ত’ব্য করছেন। এত বড় একজন মন্ত্রী যখন আমাকে কল দেন আমি তো তাকে ই’গনো’র করতে পারি না। সবাই তো অ’ডিও ক্লি’পটি শুনেছেন।

সেখানে মানুষের গ’লার স্ব’র শুনলেও তো বোঝা যায় কে কোন অ’নুভূ’তি নিয়ে কথা বলছেন। আমাকেই ওই রাতের আগের দিনও তিনি কল দিয়েছিলেন। আমি ধরতে পারিনি। ওইদিন রাতে ওয়াজেদ আলী সুমন ভাইয়ের ‘ব্লা’ড’ সিনেমার মিটিং করছিলাম।

তখন উনি (প্রতিমন্ত্রী) হঠাৎ ফোন দেন। অ’ডিওতে কিন্তু আছে উনি প্রথমেই বলেছেন, ‘তুই ফোন ধ’রস নাই কেন?’ আগের দিন ফোন ধরিনি বলে রেগেছিলেন। একজন মন্ত্রী বারবার ফোন দিচ্ছেন আমি না ধরে তো থাকতে পারি না।

তাই অনুষ্ঠানের মধ্যেই ধরেছি। বাকি আলা’প তো সবাই শুনেছেন। উনার আলাপ শুনেই কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে বলেছি, ‘হ্যাঁ, ভাই আসতেছি। দেখছি ভাই’। খারা’প কিছু কিন্তু বলিনি।‘‘উনি কল দেওয়ার অনেক সময় পা’র হয়ে গেছে। আমি কিন্তু বারবার বলছি, ‘দু’মিনিট ভাইয়া, নামছি’।

আমি চাইছিলাম যেন উনি ফোনটা রাখেন। মাহির সঙ্গে কি আ’লাপ হয়েছে সেটা কিন্তু আমি জানতে পারিনি। কারণ আমি মাহির হাতে ফোন দিয়ে ডিরেক্টরের সঙ্গে আ’লাপ করছিলাম। মাহিকে যে এভাবে প্রতিমন্ত্রী গা’লিগা’লাজ করেছেন, আমি জানতাম না। মাহির হাতে ফোনটা দিয়ে আমি তখন ডিরে’ক্টরের সঙ্গে স্ক্রি’প্ট নিয়ে কথা বলছিলাম।

প্রতিমন্ত্রীর ফোনটি আমার নম্বরে এলেও আমার সেটে রেক’র্ডিং অপ’শনই নেই। আর মাহিও তো একজন আর্টিস্ট। নিশ্চয়ই তিনি সহজভাবে নিতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে তিনি ডিসকা’স্টডও সেভাবে করেননি।’’এই চিত্রনায়ক বলেন, এখন অ’ডিওটা শুনে আমি জানতে পারলাম সেদিন মাহি কতোটা বি’ব্র’ত ছিলে।

সত্যি কথা বলতে ওই মুহূর্তে ওই কলটা আসলে আমি আশা করিনি। আমি বা মাহি কেউই কিন্তু যাইনি পরে। আমি শুধু ওই সিচুয়েশনটা ট্যা’কেল দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কারণ এখন যে যতো কথাই বলুক এত বড় একজন মন্ত্রী কল দিলে তার সঙ্গে বে’য়াদবি করা যায় না, তাকে যা খুশি তা বলা যায় না। ভেবেছিলাম একটু পর সব ভুলে যাবেন। হয়েছিল তাই। এনিয়ে তিনি আর পরে কোনো কথা বলেননি।’’

ইমন জানান, সেদিনের মিটিং হয়েছিল বনানীর একটি রেস্তোঁরায়। ঘটনা ২০২০ সালের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহের। এরপর ইমন ও মাহি দুজনই যার যার বাসায় চলে যান। এর কিছুদিন পরই শুরু হয় ক’রো’নার প্রকো’প। ল’ক’ডা’উনের কারণে সবার মতো ঘরব’ন্দি হয়ে যান তারাও। ইমন মনে করেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি যেকোনও আ’র্টিস্ট’কে ফোন দিতেই পারেন। কিন্তু এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য। তার দা’বি, তিনি পরিস্থিতি সামা’ল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মাত্র। এদিকে স্বামীর সঙ্গে ওমরাহ পালন করতে নায়িকা মাহি বর্তমানে সৌদি আরব রয়েছেন।

About admin

Check Also

প্রেমের টানে বরিশালে এসে মার খেলেন ভারতীয় যুবক

এবার প্রেমের টানে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ু থেকে বরিশালে এসে প্রেমিকার অপর প্রেমিকের কাছে মারধরের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.