‘ছেলেটা আসলেই খুব ভালো মানুষ’, নতুন স্বামী রবিন সম্পর্কে পূর্ণিমা

কথা বলতে বলতে আমাদের মধ্যে ভালো একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়। ছেলেটা আসলেই খুব ভালো। ভালো মানুষ একজন। যার কাছে সবকিছু বলা যায়, যাকে সবক্ষেত্রে বিশ্বাস করা যায়।

নতুন স্বামী রবিন সম্পর্কে এমন মন্তব্যই করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, আমরা কাজের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। বন্ধুত্বও স্বতন্ত্রভাবে বজায় রেখেছি। তবে, বিয়ে হুট করে হয়ে গেছে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে আলোচনা। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়েছে এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে। বিভিন্ন তথ্য বলছে, দ্বিতীয় নয়, এটি পূর্ণিমার তৃতীয় বিয়ে।

২০০৭ সালে একটি পত্রিকায় পূর্ণিমার প্রথম বিয়ে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশিত হয়। সে খবরে বলা হয়, ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে ২০০৫ সালে বিয়ে হয় তার। পরে ২০০৭ সালে বিচ্ছেদও হয় তাদের। বিচ্ছেদের পর ওই পত্রিকার সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা বলেছেন, বিয়ে করেছিলাম, তালাকও হয়ে গেছে। আমার জীবনের চরম ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল দিলাম।

পরে ওই বছরই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আহমেদ ফাহাদ জামালকে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। একপর্যায়ে এই বিয়েও ভেঙে যায়, তবে খবরটি গোপন রেখেছিলেন অভিনেত্রী।সবশেষ গত ২৭ মে আশফাকুর রহমান রবিনকে বিয়ে করেছেন পূর্ণিমা।

পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। এ বিয়ে নিয়ে পূর্ণিমা বলেছেন, ২০১৮ সালে একটি ইভেন্টে অথবা নাটকের শুটিংয়ে প্রথম পরিচয় হয় রবিনের সঙ্গে। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই তাদের সম্পর্ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কথা বলতে বলতে আমাদের মধ্যে ভালো একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়। ছেলেটা আসলেই খুব ভালো। ভালো মানুষ একজন। যার কাছে সবকিছু বলা যায়, যাকে সবক্ষেত্রে বিশ্বাস করা যায়।

নতুন স্বামী রবিন সম্পর্কে এমন মন্তব্যই করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, আমরা কাজের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। বন্ধুত্বও স্বতন্ত্রভাবে বজায় রেখেছি। তবে, বিয়ে হুট করে হয়ে গেছে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে আলোচনা। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়েছে এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে। বিভিন্ন তথ্য বলছে, দ্বিতীয় নয়, এটি পূর্ণিমার তৃতীয় বিয়ে।

২০০৭ সালে একটি পত্রিকায় পূর্ণিমার প্রথম বিয়ে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশিত হয়। সে খবরে বলা হয়, ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে ২০০৫ সালে বিয়ে হয় তার। পরে ২০০৭ সালে বিচ্ছেদও হয় তাদের। বিচ্ছেদের পর ওই পত্রিকার সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা বলেছেন, বিয়ে করেছিলাম, তালাকও হয়ে গেছে। আমার জীবনের চরম ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল দিলাম।

পরে ওই বছরই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আহমেদ ফাহাদ জামালকে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। একপর্যায়ে এই বিয়েও ভেঙে যায়, তবে খবরটি গোপন রেখেছিলেন অভিনেত্রী।সবশেষ গত ২৭ মে আশফাকুর রহমান রবিনকে বিয়ে করেছেন পূর্ণিমা।

পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। এ বিয়ে নিয়ে পূর্ণিমা বলেছেন, ২০১৮ সালে একটি ইভেন্টে অথবা নাটকের শুটিংয়ে প্রথম পরিচয় হয় রবিনের সঙ্গে। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই তাদের সম্পর্ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

About admin

Check Also

হিরো আলম অভিনয় করছে, প.র্নোগ্রা.ফি না : মিশা সওদাগর

বগুড়ার ছেলে আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে হইচই ফেলা এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.