বাড়ির আঙ্গিনায় সুন্দরী তরুণীর অসাধারন নাচের ভিডিও ভাইরাল, (ভিডিও)

গ্রামের কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা শহরের মেয়ের থেকেও সুন্দরভাবে নাচে গানে সবকিছুতেই বেশি পারদর্শী হয়ে থাকে, তারা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় একাউন্ট খুলে তাদের প্রতিভাগুলো আপলোড করে।

গ্রামের একটি সুন্দরী মেয়ে দেখা যায় প্রায় সাদা ড্রেস পড়ে সুন্দর ভাবে ডান্স করতেছে, সে তার ডান্সের ভিডিওটি অন্য কারো মোবাইলে ধারণ করে পরবর্তীতে ফেসবুকে আপলোড দেয়।

ভিডিওটি আপলোড দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়, তাঁর অসুন্দর ডান্স বিভিন্ন ভঙ্গিমায় ডান্স করে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান ফলোয়ার্স বেড়ে গিয়েছে, তার ডান্সের ভিডিওটি উপভোগ করুন..

আরোও পড়ুন..’মা ডিজাইনার মেয়ে মডেল’
তা’রকা শিল্পীদের মধ্যে সম্ভবত আঁখি আলমগীরই ব্যতিক্রম ছি’লেন। গানের বাইরে যার আর কোনও শাখা ছিলো না। অথচ তার শুরুটাই হলো শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চ’লচ্চিত্র পু’রস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে।

এরপর অ’ভিনয় তো নয়ই, গানের বাইরে অন্য কোনও উদ্যোগের সঙ্গে সচেতনভাবেই জ’ড়াননি তিনি। তবে এই পর্যায়ে এসে চমকে দিলেন সংগীতের এই গ্ল্যামারাস মুখ। সা’মনে এলেন ফ্যাশন ডি’জাইনার হিসেবে আর মডেল হিসেবে নিজের পা’শাপাশি দাঁড় করালেন নিজের বড় মেয়ে স্নেহাকে।

২২ জুন (মঙ্গলবার) রাতে সোশ্যাল মি’ডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়া এবং ফ্যাশন হা’উজ চালুর কথা জানান আঁখি। ফ্যাশন হাউজের নাম রেখেছেন ‘মখমল’।

এমন সারপ্রাইজ প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমি বরাবরই ফ্যা’শন সচেতন একজন মানুষ। আমার ডিজাইন করা শাড়ির প্রশংসা অনেক পেয়েছি। যা এতোদিন নিজের জন্যই মূলত করতাম। এবার সেই অ’ভিজ্ঞতা সবার জন্য উন্মুক্ত করলাম।’

করোনা প’রিস্থিতির কারণে ‘মখমল’ বিপণন ব্যবস্থা এখন চলছে অনলাইনের মাধ্যমে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে খোলা হবে আ’উটলেট। গায়িকার স্বপ্ন, মখমল একদিন ছড়িয়ে যাবে গোটা বিশ্বে।

‘মখমল’-এর শুরুটা হচ্ছে আঁখির ডিজাইন করা মসলিন, শিফন, সিল্ক আর জর্জেট শাড়ি দিয়ে। পাওয়া যাবে কামিজও। তবে ডিজাইন ও পোশাকের কালেকশন ক্রমশ বাড়বে।

১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ সি’নেমার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন আঁখি আ’লমগীর। মাঝে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ২০১৮ সালে আ’লমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ সি’নেমাতে গাওয়ার জন্য শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবেও ঘরে তোলেন জা’তীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

এমন সারপ্রাইজ প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমি বরাবরই ফ্যা’শন সচেতন একজন মানুষ। আমার ডিজাইন করা শাড়ির প্রশংসা অনেক পেয়েছি। যা এতোদিন নিজের জন্যই মূলত করতাম। এবার সেই অ’ভিজ্ঞতা সবার জন্য উন্মুক্ত করলাম।’

করোনা প’রিস্থিতির কারণে ‘মখমল’ বিপণন ব্যবস্থা এখন চলছে অনলাইনের মাধ্যমে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে খোলা হবে আ’উটলেট। গায়িকার স্বপ্ন, মখমল একদিন ছড়িয়ে যাবে গোটা বিশ্বে।

‘মখমল’-এর শুরুটা হচ্ছে আঁখির ডিজাইন করা মসলিন, শিফন, সিল্ক আর জর্জেট শাড়ি দিয়ে। পাওয়া যাবে কামিজও। তবে ডিজাইন ও পোশাকের কালেকশন ক্রমশ বাড়বে।

১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ সি’নেমার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন আঁখি আ’লমগীর। মাঝে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ২০১৮ সালে আ’লমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ সি’নেমাতে গাওয়ার জন্য শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবেও ঘরে তোলেন জা’তীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

About admin

Check Also

প্রায় ৩৩ বছর ধরে নিজের বাড়ি মনে করে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সমগ্র রায়গঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন করেন এই বৃদ্ধ!

আমাদের আশেপাশের পরিবেশের চোখ রাখলে আপনারা এমন অনেক ব্যক্তি দেখতে পারবেন যারা ক্রমাগত পরিবেশকে নানান …

Leave a Reply

Your email address will not be published.